banglanewspaper

শহীদ জননী, কথাসাহিত্যিক একাত্তরের ঘাতক দালালবিরোধী আন্দোলনের নেত্রী জাহানারা ইমামের ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। দূরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ১৯৯৪ সালের ২৬ জুন তিনি মৃত্যুবরণ করেন। 
 
দেশের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে সর্বজন শ্রদ্ধেয় জননী সাহসিকা জাহানারা ইমামকে স্মরণ করছে আজ। 

বিশিষ্টজনদের মতে, তাঁর আন্দোলনের দুই দশকেরও বেশি সময় পর আজ যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং একের পর এক যুদ্ধাপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হচ্ছে, প্রধান প্রধান যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি কার্যকরে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তিকে যখন বিপর্যস্ত করা সম্ভব হয়েছে, তখন অতীতের দিকে ফিরে তাকালে স্পষ্ট হয়, শহীদ জননী জাহানারা ইমাম নতুন প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের শহীদ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য প্রবল ভালোবাসা আর শ্রদ্ধার বিপরীতে যুদ্ধাপরাধীদের জন্য প্রবল যে ঘৃণার সৃষ্টি করে যেতে পেরেছেন সেটাই নতুন প্রজন্মকে জাগিয়ে দিয়েছে।
 
সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কামাল লোহানী বলেন, বর্তমান সময়ে জাহানারা ঈমামের মত নেতৃত্ব প্রয়োজন, যিনি টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া ঘুরে বেরিয়ে দেশের অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করার জন্য জনগণকে উজ্জীবিত করবেন। তিনি বলেন, জাহানারা ঈমাম শরীরে ক্যানসারের জীবানু নিয়েও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য জনমত গড়তে সারো দেশ চষে বেরিয়েছেন। 
কবি ও স্থপতি রবিউল হুসাইন বলেন, জাহানারা ইমাম গণআদালতের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার পক্ষের সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। সফলভাবে সব শক্তিকে সংগঠিত করে আন্দোলন পরিচালনা করেছিলেন। তাঁর আন্দোলনের পথ ধরেই দেশের শীর্ষস্থানীয় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে। আরও অনেকের বিচার প্রক্রিয়া চলছে ।

ট্যাগ: