banglanewspaper

নূর আলম, (ফটো ফিচার) :  জামালপুরে চলছে পাট কাটার মৌসুম। কেউ পাট কেটে নদী, খাল, পুকুর, বিল ও ডোবায় জাগ দিচ্ছেন, কেউবা আবার ব্যস্ত সময় পার করছেন আঁশ ছাড়াতে। রাস্তার দুই ধারে ও বাড়ির উঠানে বাঁশের আড়ে চলছে পাট শুকানোর কাজ। হাট-বাজারে পাট বিক্রির জন্য প্রস্তুতিও নিচ্ছেন পাটচাষীরা। পরিমাণ মত বৃষ্টিপাতের কারনে পকুর, খাল-বিল এবং নদী নালায় পানির পরিমান বেড়ে যাওয়ায় পাট জাগের সমস্যা কমেছে। এতে করে জাগ দিতে বাড়তি খরচের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন চাষীরা।তবে, পাটের বাজার দর ভাল গেলে লাভের আশায় করছেন জেলার চাষীরা।

জামালপুর সদর উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদের অববাহিকার মাটি পাট চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় গত ২০১৫-১৬ মৌসুমে ৩ হাজার ৭ শত ২৫ হেক্টর জমিতে পাটের চাষ হয়েছিল। পাটের বাজার মূল্যবৃদ্ধি পাওয়ায় ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে ৪ হাজার ১ শত হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হচ্ছে। জামালপুর সদর উপজেলায় ৩ প্রকারের পাট উৎপাদিত হচ্ছে। এর মধ্যে দেশী পাট ৫ শত হেক্টর, তুষা পাট ৩ হাজার ২ শত হেক্টর, কেনাফ পাট ৪ শত হেক্টর।

 

 

জামালপুরে পাটের বাজার মূল্যবৃদ্ধি পাওয়ায় ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে ৪ হাজার ১ শত হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হচ্ছে।

 

 

​পাটের আঁশ ছাড়ানোর পর রোঁদে শুকানো হচ্ছে।

 

 

পাটকাঠি জালানি হিশেবে ব্যবহিত হয়।

 

 

পাট কেটে খাল-বিল ও ডোবায় জাগ দেয়া হচ্ছে। 

 

 

​জাগ দেওয়ার পর চলছে আঁশ ছাড়াবার কাজ। 

 

 

​জাগ দেওয়ার পর চলছে আঁশ ছাড়াবার কাজ। 

 

 

​গ্রামের নারী-পুরুষ একসাথে নেমে পড়েছে পাট সংগ্রহে। 

 

 

​পাটের আঁশ আঁটি বেঁধে সংগ্রহ করা হয়।

 

 

পাটের আঁশ বাজারে নেওয়ার প্রস্ততি চলছে।গত ২০১৫-১৬ মৌসুমে ৩ হাজার ৭ শত ২৫ হেক্টর জমিতে পাটের চাষ হয়েছিল।

 

 

পাটের আঁশ বাজারে নেওয়ার প্রস্ততি চলছে।

 

২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে ৪ হাজার ১ শত হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হচ্ছে। জামালপুর সদর উপজেলায় ৩ প্রকারের পাট উৎপাদিত হচ্ছে। এর মধ্যে দেশী পাট ৫ শত হেক্টর, তুষা পাট ৩ হাজার ২ শত হেক্টর, কেনাফ পাট ৪ শত হেক্টর।

 

 

ট্যাগ: