banglanewspaper

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) চ্যাম্পিয়নস ট্রফি বয়কট নিয়ে নাটক বেশ ভালোভাবেই জমে উঠেছে। বিসিসিআইয়ের অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসক কমিটির (সিওএ) প্রধান বিনোদ রাই বলছেন, চ্যাম্পিয়নস ট্রফি বয়কট করলে ২০২৩ সাল পর্যন্ত আইসিসির কোনো ইভেন্টে হয়তো অংশ নিতে পারবে না ভারত। তাই হুট করে সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে না।

কয়েকদিন ধরে বিসিসিআইয়ের হুমকির সুর আপাতত কিছুটা নরমই মনে হচ্ছে। কারণ আইসিসির সঙ্গে সব সদস্য দেশের থাকা মেম্বার্স পার্টিসিপেশন অ্যাগ্রিমেন্ট (এমপিএ) চুক্তি অনুযায়ী ভারত নিজেদের সরিয়ে নিতে পারলেও তারা বঞ্চিত হবে দুটি বিশ্বকাপ (২০১৯, ২০২৩), দুটি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি (২০১৭, ২০২১), দুটি নারী বিশ্বকাপ (২০১৭, ২০২১), তিনটি মহিলা টি-২০ বিশ্বকাপ (২০১৮, ২০২০, ২০২২), ২০২০ সালের টি-২০ বিশ্বকাপ, তিনটি অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ ও আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ (২০২১) খেলা থেকে।

এদিকে, অনুরাগ ঠাকুর, এন শ্রীনিবাসনের মতো বিতর্কিত এবং ক্ষমতাচ্যুত ব্যক্তিরা টেলিকনফারেন্সে ভারতের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি বয়কট করার জন্য বোর্ডকে চাপ দিয়েছিলেন। আইসিসিকে নোটিশ পাঠাতেও তারা চাপ প্রয়োগ করেন। কিন্তু বিনোদ রাই সাফ জানিয়ে দেন, বিশেষ সাধারণ সভায় ৩০ সদস্য সর্বসম্মতভাবে রাজি হলেই আইসিসিকে নোটিশ পাঠানো সম্ভব।

আগামী ৭ মে ডাকা বিশেষ সাধারণ সভায় বোঝা যাবে প্রকৃতপক্ষে বিসিসিআই কি সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।

বিসিসিআইয়ের অন্তর্বর্তী কমিটির অন্যতম সদস্য রামচন্দ্র গুহ সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে টুইট করে বলেছেন, হুমকি দিয়ে বড় ক্রিকেট জাতি হওয়া যায় না। বিসিসিআইকে বেছে নিতে হবে, তারা কি ক্রমবর্ধমান এক খেলার জনপ্রিয় রাজা হবে, নাকি মৃতপ্রায় খেলার ঘৃণিত ডন (মাফিয়া নেতা) হবে।

ট্যাগ: