banglanewspaper

হুমায়ুন কবির: গড়াই নদীর এপার ওপার হাজারও জনগনের দুঃখ দুর্দশা দেখার যেন কেউ নেই। বলতে হয় জন্মই যেন অাজন্ম পাপ। রাত পোহালে জীবন-জীবিকার তাগিতে আসতে হয় উপজেলা শহর। এমন কি মৌলিক চাহিদা শিক্ষা, চিকিৎসা নিতে হলেও যেতে হয় খোকসা জানিপুরে। নদীর ধর্মেই একুল ভাঙ্গে ওকুল গড়ে এইতো নদীর খেলা।

কুষ্টিয়া গড়াই নদীও এর ব্যতিক্রম নয়। বর্ষা মৌসুম আসায় নদী পারে প্রতিদিন ওপারের জনগনকে এরকম অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে। ইজারাদারদের ইচ্ছায় চলতে হয় ওপারের হাজারও বাসিন্দার। কখনও বা দিতে হচ্ছে পারাপারের অতিরিক্ত সেলামি। যদিও এমন ঘটনা হয় বিভিন্ন উৎসব পার্বনে। তবে পারাপরে সেবার মান এতোটাই নাজুক, কে দেখবে জিম্মিদশা ওপারের বাসিন্দাদের। কেউ প্রতিবাদ করলে উত্তম-মাধ্যমের সুব্যবস্থা সদা জাগ্রত থাকে।

খোকসা খেয়া ঘাটের এমন বেহাল দশা থেকে পরিত্রান চেয়েছেন ওপারের হাজারও বাসিন্দা।

ট্যাগ: