banglanewspaper

এলজিআরডি মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী নিয়ে প্রধান বিচারপতি যে রায় দিয়েছেন, তাতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কটাক্ষ করার মতো ধৃষ্টতা দেখিয়েছেন।’

শুক্রবার দুপুরে মাদারীপুরের শিবচরে শেখ হাসিনা সড়কের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ কথা বলেন।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, প্রধান বিচারপতি রায়ে ব্যাপকভাবে অসাংবিধানিক ও অনৈতিক কথাবার্তার অবতারণা করেছেন। এমনকি তিনি বঙ্গবন্ধুকে নিয়েও কটাক্ষ করতে দ্বিধা করেননি।

তিনি বলেন, আমরা অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই, যে সমস্ত অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয় রায়ে উল্লেখ আছে, তা পুনঃবিবেচনা করার অনুরোধ করছি।

তিনি আরও বলেন, জনগণের মনে আঘাত দিয়ে, উপযাজক হয়ে বিচার ব্যবস্থা চালু রাখা সম্ভব নয়। যে দেশে বিচার ব্যবস্থায় আস্থার সংকট দেখা দেয়, সে দেশে প্রলংয়কারী ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হয়।'

‘সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী নিয়ে প্রধান বিচারপতি যে রায় দিয়েছেন, তাতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কটাক্ষ করার ধৃষ্টতা দেখিয়েছেন।’ শুক্রবার (১১ আগস্ট) দুপুরে এ কথা বলেছেন এলজিআরডি মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন। মাদারীপুরের শিবচরে শেখ হাসিনা সড়কের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বিচারপতিদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘জনগণের মনে আঘাত দিয়ে, উপযাচক হয়ে, কোনও রকম বিচারের রায় দেবেন না। আমরা অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে, শ্রদ্ধার সঙ্গে অনুরোধ করছি, যেসব অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয় রায়ের মধ্যে আছে, আপনারা এর পুনর্বিবেচনা করেন। কারণ বিচার ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হোক বাংলার জনগণ সেটা চায় না। বাংলার জনগণের শেষ আশ্রয়স্থল হলো এই বিচার ব্যবস্থা।’

এ সময় এলজিআরডি মন্ত্রী আরও বলেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, প্রধান বিচারপতি যে রায় দিয়েছেন, তাতে ব্যাপকভাবে অসাংবিধানিক ও অনৈতিক মন্তব্য করা হয়েছে।’

প্রধান বিচারপতিকে উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘যেসব অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয় রায়ে উল্লেখ আছে, তা পুনর্বিবেচনা করেন। যদি কোনও দেশের বিচার ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থার সংকট দেখা দেয়, তাহলে সে দেশ কিন্তু প্রলয়ঙ্করী বিপদের মধ্যে পড়ে।’

এসময় উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আরও  দুই মেয়াদ শেখ হাসিনার সরকারকে ক্ষমতায় রাখতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান এলজিআরডি মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য নূর-ই-আলম চৌধুরী, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ, স্থানীয় সরকার অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী শ্যামা প্রসাদ অধিকারী ও জেলার সহকারী পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া।

ট্যাগ: