banglanewspaper

ঈদুল আজহা উপলক্ষে টিকিট বিক্রির চতুর্থ দিনে কমলাপুর রেল স্টেশনে উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঈদ ছুটি শুরু হওয়ার আগের দুইদিন বুধবার ও বৃহস্পতিবারের টিকিট চাহিদা বেশি থাকায় রাত থেকেই স্টেশনে যাত্রীরা ভিড় শুরু করেন।

সোমবার সকাল ৮টা থেকে কমলাপুর স্টেশনের তেইশটি কাউন্টার থেকে একসঙ্গে টিকিট বিক্রি শুরু হয়।

ভোর থেকে কয়েক হাজার টিকিটপ্রত্যাশী এসে লাইলে দাঁড়িয়েছেন। ভোরে কানায় কানায় পরিপূর্ণ থাকলেও সকাল সাড়ে ১০টার পর থেকে ভিড় একটু কমতে থাকে। যারা টিকিট সরবরাহ করছেন, তারাও দ্রুত গতিতে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

চট্টগ্রামের টিকিটের চাহিদা খুব একটা বেশি না। মহানগর প্রভাতী, সুবর্ন এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা, মহানগর এক্সপ্রেস, চট্টগ্রাম এক্সপ্রেস অর্থাৎ চট্টগ্রামে যাওয়ার জন্য দুটি কাউন্টার থেকে টিকিট দেওয়া হচ্ছে। গতকালও ১১টার মধ্যে শেষ হয়ে যায়। আজও সাড়ে ১০টার দিকে দেখা যায়, দুটি লাইনে ৫০ থেকে ৬০ জন টিকিটপ্রত্যাশী রয়েছেন। হয় তো আজও তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাবে।

তবে রাজশাহী, রংপুর, দেওয়ানগঞ্জ অর্থাৎ উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনের কাউন্টারগুলোতে উপচে পড়া ভিড়। টিকিটপ্রত্যাশীরা জানান, বন্যার কারণে তারা বাস যাত্রা নিরাপদ বা স্বস্তির মনে করছেন না। তাই তারা ট্রেনের টিকিট নিতে এসেছেন।

টিকিট কাউন্টারে দায়িত্বরদের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, গত কয়েকদিনের তুলনায় আজ টিকিটপ্রত্যাশীদের লাইন অনেক দীর্ঘ। উত্তরবঙ্গগামী টিকিটের চাহিদা সবচেয়ে বেশি।

কমালাপুর স্টেশন ম্যানেজার সীতাংশু চক্রবর্তী বলেন, কমলাপুর থেকে প্রতিদিন ৩১টি ট্রেনের ২২ হাজার ৪৯৬টি টিকিট বিক্রি করা হবে। এর মধ্যে ২৫ শতাংশ অনলাইন, ৫ শতাংশ ভিআইপি, ৫ শতাংশ রেলওয়ে কর্মকর্মতা-কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দ। বাকি ৬৫ শতাংশ টিকিট কাউন্টার থেকে বিক্রি হবে।

ট্যাগ: