banglanewspaper

সংবিধান সংশোধন আইন পাস হলে সুপ্রিম কোর্টের ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল হবে, ন্যায়বিচারের পথ সমৃদ্ধ হবে, সুপ্রিম কোর্ট জনগণের কাছে আস্থাশীল হবে। এ জন্যই ৭২’র সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে মাত্র।  এ নিয়ে বির্তকের কিছু নেই।

বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এ কথা বলেন। এর আগে সকালে কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরু, সাবেক মন্ত্রী সাহারা খাতুন, কমিটির সদস্য তালুকদার মোহাম্মদ ইউনূস, জিয়াউল হক মৃধা, সফুরা খাতুন প্রমুখ।

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, ষোড়শ সংবিধান সংশোধন বিলের রিপোর্ট বৃহস্পতিবার আইন মন্ত্রণালয়ে দেওয়া হচ্ছে।

দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংবিধান সংশোধন আইন করার জন্য মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হবে বলেও জানান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

সভাপতি বলেন, প্রমাণিত, অসমর্থ বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষেত্রে যে আইন করা হবে সেই আইন করার আগে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হবে। এখন পরামর্শ নেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ, এটা একটা সেটেলড ইস্যু। এ নিয়ে বির্তকের সুযোগ নেই। ১৯৭২ সালের সংবিধানে যা ছিলো তাই প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।
 
তিনি বলেন, অন্তর্যামী রাজনীতি করে লাভ নেই। আজ যারা সমালোচনা করছেন, তারা বিভ্রান্ত হয়েই বির্তক করছেন। অনেক সংবিধান প্রণেতারাই এই ষোড়শ সংবিধান সংশোধন বিলের সমালোচনা করছেন। তাদের করা সংবিধানই তো প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে। সংবিধান সংশোধনের এ আইন পাস হলে বিচারপতিদের জবাবদিহিতা আরো বৃদ্ধি পাবে। বিচার ব্যবস্থা স্বচ্ছ হবে।
 
তিনি আরো বলেন, সংবিধান অনুযায়ী জনপ্রতিনিধিদের দ্বারাই দেশ পরিচালিত হবে। এক মুহূর্তের জন্যও এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।

ট্যাগ: