banglanewspaper

অনলাইন ডেস্ক : ২০০৭ সালে বাজারে আইফোন আসার পর থেকেই এর ফিচারে অনেক ধরনের পরবির্তন এসেছে। কিন্তু আইফোন ব্যবহারকারীরা সবসময়ই একটি প্রয়োজনীয় ফিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, আর সেটি হলো এক্সপেন্ডেবল স্টোরেজ।

তবে এক্সপেন্ডেবল স্টোরেজ ছাড়াও আইফোনের মেমোরি বাড়ানোর কয়েকটি উপায় আছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক উপায়গুলো-

ফাইল ম্যানেজার : 

ফোনভিত্তিক সেরা অ্যাপ ফাইল ম্যানেজার। এ অ্যাপ শুধু ফাইল ব্যবস্থাপনায় নয়, আইফোন ও আইপ্যাডের জন্য কাজ করবে ভার্চুয়াল ড্রাইভ হিসেবে। ডিভাইসে একবার অ্যাপটি ইনস্টল করে নিলেই দুভাবে এর মাধ্যমে তথ্য পাওয়া যাবে। দুটো উপায়ের একটি আইটিউন্স ব্যবহার। এক্ষেত্রে আইটিউন্সের সফটওয়্যারসহ আইফোনটিকে কম্পিউটারের সঙ্গে সংযোগ করতে হবে। এরপর ফাইল ম্যানেজারে তথ্যটি কম্পিউটার থেকে স্থানান্তর করলে নিলেই হলো।  অন্যটি ওয়াই-ফাইয়ের ব্যবহার। ওয়াই-ফাই সিঙ্কের মাধ্যমে এ অ্যাপে প্রবেশের পর সেটিংসে গিয়ে আপলোড অপশন ব্যবহার করতে হবে। এ অ্যাপ নির্দিষ্ট ফাইল পড়তে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে।

ডকুমেন্ট অ্যান্ড পিডিএফ রিডার : 

ডকুমেন্ট অ্যান্ড পিডিএফ রিডার টুলসের কার্যক্রম ফাইল ম্যানেজারের মতোই। এর মাধ্যমে আইটিউন্স ও ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক— এ দুটো উপায়ে ফাইল স্থানান্তর করা যায়। তবে উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার ও ফাইন্ডারেও কাজ করতে সক্ষম এ টুলস। এ অ্যাপটির একটি অসুবিধা রয়েছে। এর তথ্যসীমা ২০০ এমবি। তবে সীমাহীন স্টোরেজ চাইলে কিনতে হবে এর প্রো-ভার্সন। তাহলে ড্রপবক্স, গুগল ড্রাইভ, বক্স ও ওয়ান ড্রাইভেও সমর্থন পাওয়া যাবে।

স্যানডিস্ক আইএক্সপান্ড ফ্ল্যাশ ড্রাইভ :

ফাইল ট্রান্সফার করার জন্য সবচেয়ে কার্যকর ডিভাইস হলো স্যানডিস্ক আইএক্সপান্ড ফ্ল্যাশ ড্রাইভ। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফোনে থাকা ছবিগুলোর ব্যাকআপ রাখবে। এতে একটি ইউএসবি পোর্ট আছে। আপনার কাছে ইউএসবি ক্যাবল থাকলে ফ্ল্যাশ ড্রাইভ থেকে যেকোনো ডিভাইসে ফাইল আদান প্র্রদান করা যাবে।  ফ্ল্যাশ ড্রাইভটি ৩২ জিবি, ৬৪ জিবি ও ১২৮ জিবিতে কিনতে পাওয়া যাবে।

আইমার্ট ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ :

আইমার্ট ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ পাওয়া যায় খুবই অল্প দামে। তাই অনেকেই এটি ব্যবহার করে থাকেন। এর রয়েছে তিনটি কানেক্টর লাইটিং, ইউএসবি ২.০ ও মাইক্রো ইউএসবি। অ্যান্ড্রয়েড ফোনেও এটি কাজ করতে পারে।

আইম্যাজিং : 

আইম্যাজিং ফোনে ইন্সটল না করেই ব্যবহার করা যায়। এটি আসলে একটি ডেক্সটপ অ্যাপ যা আইটিউনের রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে কাজ করে। এতে ফাইল ট্রান্সফারের পাশাপাশি আরও অনেক ধরনের ফিচার রয়েছে যেমন, ফটো অর্গানাইজেশন, ব্যাক আপ ক্রিয়েশন ও অ্যাডভান্স আইওওস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

আইটিউন্স : 

আইটিউন্সের মাধ্যমে সহজেই ফাইল এক ডিভাইস থেকে অন্যটিতে স্থানান্তর করা যায়। তবে এটি অন্য প্রক্রিয়াগুলোর মতো সহজ নয়। কিন্তু তৃতীয়পক্ষের পণ্যে নির্ভর করতে না চাইলে আইটিউন্সই সেরা। ফাইল স্থানান্তরের জন্য ফোনের সঙ্গে কম্পিউটার কানেক্ট করে অ্যাপটি ইনস্টল করতে হবে। এরপর ডিভাইস সিলেক্ট করে অ্যাপে ক্লিক করে ফাইল স্থানান্তর করতে হয়। এ অ্যাপ ব্যবহারের সময় ফাইল ওপেন করার প্রয়োজন হয় না। শুধু ফাইল রাখার স্থানটি মনে রাখলেই চলে।

ট্যাগ: