banglanewspaper

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার পদত্যাগের পর নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে কে নিয়োগ পাচ্ছেন, তা নিয়ে সকলেরই কৌতূহল রয়েছে। 

এদিকে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার (এস কে সিনহা) পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে প্রধান বিচারপতি হিসেবে বহুল আলোচিত এস কে সিনহা অধ্যায়ের সমাপ্তি হলো। এখন ২২তম প্রধান বিচারপতি কে হচ্ছেন, সেটা নিয়েই এখন সবার আগ্রহ।

আইন মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, আপাতত দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞাই দায়িত্বে থাকছেন। পূর্ণাঙ্গ প্রধান বিচারপতি নিয়োগে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী আনিসুল বলেন, প্রধান বিচারপতি নিয়োগের এখতিয়ার রাষ্ট্রপতির। তবে যতক্ষণ পর্যন্ত না আরেকজন প্রধান বিচারপতি নিয়োগ হবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত বর্তমানে যিনি দায়িত্বে আছেন, তিনিই থাকবেন। সেটা এক বছর হলেও উনিই দায়িত্বে থাকবেন।

আপিল বিভাগে বর্তমানে পাঁচজন বিচারপতি রয়েছেন। জ্যেষ্ঠতা অনুযায়ী দায়িত্বরত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা প্রথমে রয়েছেন। অপর চার বিচারপতি হলেন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি মো. ইমান আলী, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার। রাষ্ট্রপতি চাইলে তাঁদের মধ্য থেকে যে কাউকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিতে পারেন।

দায়িত্বরত প্রধান বিচারপতির চাকরির বয়স আছে ২০১৮ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত। এর আগে বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিয়ার আপিল বিভাগে আসা বিলম্বিত হয়েছিল বলে আলোচনা রয়েছে। তাঁর পরে থাকা বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের মেয়াদ আছে ২০২১ সাল পর্যন্ত। তিনি এবার প্রধান বিচারপতি না হলেও জ্যেষ্ঠতার ক্রম অনুযায়ী তাঁর সুযোগ থাকবে।

বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন এর আগে দুবার নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের বাছাই কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। তাঁর পরে আছেন বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী। তিনি অবসরে যাবেন ২০২৩ সালে। এরপরে আছেন বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। তাঁরও অবসরের তারিখ ২০২৩ সাল। আর বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার অবসরে যাবেন ২০২১ সালে।

একটি সরকারি প্রজ্ঞাপনে আপিল বিভাগে বিচারক সংখ্যা ১১ নির্দিষ্ট করা আছে। বর্তমানে আছেন ৫ জন। জরুরি নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এখন মামলার চাপ আগের থেকে কম। আর বিচারকসংখ্যা কমবেশি হয়। আর ১১ জন হলো সর্বোচ্চ সীমা।

ট্যাগ: