banglanewspaper

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রয়াত মেয়র আনিসুল হককে স্মরণ করতে গিয়ে কাঁদলেন দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। আজ শুক্রবার বিকেলে মেয়র সাঈদ খোকনের বনানীস্থ নিজ বাসভবনে প্রয়াত মেয়র আনিসুল হক প্রসঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি কেঁদে ফেলেন।

সাঈদ খোকন বলেন, ‘আনিসুল হকের মৃত্যুটা আমাদের জন্য অনেকটাই অপ্রত্যাশিত ছিলো। হঠাৎ করেই তিনি অসুস্থ হয়ে যাবেন এটা কল্পনাও করতে পারিনি। দীর্ঘদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জালড়ে আমাদের ছেড়ে চলে যাবেন- এটা আমরা কখনো কল্পনাও করিনি, ভাবতেও পারিনা।’

সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে সাঈদ খোকন বলেন, ‘আমার সঙ্গে তার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিলো। প্রতিদিন আমরা সকালে কুশল বিনিময় করতাম। শহরের নানান সমস্যা কীভাবে সমাধান করা যায় উদ্যোগ নিতাম। মানুষের সেবার মনোভাব ছিলো আমাদের মধ্যে প্রকট। তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে আমি অনুপ্রাণিত হই। আবার আমার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডেও তিনি অনুপ্রাণিত হতেন। দুজনে মিলেই দুই-আড়াই বছর সময়ে আমরা যে সমস্যা সমাধান করেছি, পরিবর্তনে ইতিবাছক সূচনা করতে আমরা সক্ষম হয়েছি। হঠাৎ করেই এমন একটা ঘটনা ঘটবে এটা আমার কল্পনারও বাহিরে ছিলো। আমরা অত্যন্ত ব্যথিত। আমরা অত্যন্ত শোকাহত।

এসময় তার যে শূণ্যতা তৈরি হবে সে শূন্যতা খুব শহজে পূরণ হবে না বলেই চোখের পানি আর ধরে রাখতে পারেননি সাঈদ খোকন।

তিনি বলেন, ‘তিনি খুব একটা বলিষ্ঠ ও সাহসী মানুষ ছিলেন। শহরে বা সমাজে আনিসুল হকের মতো মানুষ প্রতিদিন জন্মাবে না। তারপরেও আমরা আশা করি যারা দায়িত্বে থাকবেন তারা এ শূন্যতাকে পূরণ করার চেষ্টা করবেন। আমাদের পক্ষ থেকে তাদের জন্য সাহায্য সহযোগিতা থাকবে। মানুষ সমাজে বাস করলে ভুল ভ্রান্তি করেই থাকে। তার যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে আপনারা তা ক্ষমা করে দিবেন। আমি তার ছোট ভাই হিসেবে তার জন্য ক্ষমা চাইছি।

দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ২৩ মিনিটে (লন্ডনের স্থানীয় সময় ৪টা ২৩ মিনিট) লন্ডনের ওয়েলিংটন হাসপাতালে মেয়র আনিসুল হক মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।

ট্যাগ: Banglanewspaper আনিসুল কথা বলতে অঝোরে কাঁদলেন মেয়র সাঈদ খোকন