banglanewspaper

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মালদ্বীপের সর্বোচ্চ আদালতের আদেশ অমান্য করে অভিশংসনের শঙ্কায় পড়েছেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিন। 

বিরোধী দলীয় ৯ নেতার বিরুদ্ধে আনীত সন্ত্রাসের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আদালত ওই নেতাদের মুক্তি দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে মালদ্বীপের সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিনের সরকার সুপ্রিম কোর্টের এ আদেশকে অগ্রাহ্য করে।

রোববার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ অনিল জানান, সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদসহ বেশ কয়েকজন বিরোধীদলীয় নেতাকে মুক্তি দিতে সুপ্রিম কোর্টের দেয়া আদেশ না মানায় বর্তমান প্রেসিডেন্টকে অপসারণের চেষ্টা শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘সপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্টকে অভিশংসনের আদেশ জারি করতে পারেন বলে আমরা খবর পেয়েছি। আমি সব আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানিয়েছি যে, এ ধরনের একটি অবৈধ আদেশ মানা উচিত হবে না তাদের।’

সাক্ষাৎকার দেয়ার সময় তার সঙ্গে দেশটির সেনাবাহিনী ও পুলিশের প্রধান উপস্থিত ছিলেন।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, তিন দিন আগে সুপ্রিম কোর্ট বিরোধী ওই ৯ নেতার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে তাদেরকে মুক্তির নির্দেশ দেয়। কিন্তু সরকার তাতে মোটেও কর্ণপাত করছে না। বিরোধী দলীয় ওই নেতাদের মধ্যে রয়েছেন মালদ্বীপে প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহামেদ নাশিদ। তিনি বর্তমানে নির্বাসনে বসবাস করছেন বৃটেনে। মুক্তির নির্দেশ দেয়া আরো একজন বিরোধী নেতা এখন নির্বাসনে রয়েছেন। বাকি সাতজনকে রাখা হয়েছে মালদ্বীপের সবচেয়ে বড় জেলখানায়। 

এরইমধ্যে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট ওই রায় দেয়ার অল্প পরেই প্রেসিডেন্ট মোহামেদ ইয়ামিন তার পুলিশ প্রধানকে বরখাস্ত করেন। এরপর যে ব্যক্তিকে ভারপ্রাপ্ত পুলিশ প্রধান হিসেবে তিনি বেছে নিয়েছিলেন, তাকে বরখাস্ত করেন শনিবার। একই সঙ্গে মাফুশি জেলখানার পরিচালকও শনিবার পদত্যাগ করেছেন। বিরোধীরা মনে করছে এর মাধ্যমে সরকার সহিংসতা ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে।

ট্যাগ: Banglanewspaper মালদ্বীপ অভিশংসন সুপ্রিম কোর্ট