banglanewspaper

তিনটার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল হাইওয়ে দিয়ে ফিরছিলাম। হঠাৎ দেখি ৩ জন লোক রাস্তার পাশে পড়ে আছে। বাইক থামালাম। কাছে গিয়ে দেখি খেটে খাওয়া দিনমজুর শ্রেণীর লোক। কোন রকম নিশ্বাস চলছে। কাছে একটি ছেলে ছাড়া কোন মানুষ জন নেই।

ছেলেটিকে জিজ্ঞাসা করলাম কখন থেকে পড়ে আছে। জানাল সকাল থেকে। বুঝতে পালাম কন্ডিশন খারাপ। বাস থেকে কোন কিছু খাইয়ে সব নিয়ে গেছে এবং রাস্তায় ফেলে গেছে। কাছাকাছি কোন হাসপাতাল নেই, আমার পক্ষেও তিনজন মানুষকে বাইকে হাসপাতালে নেয়া সম্ভব ছিল না।

হঠাৎ ৯৯৯ এর কথা মনে পড়ল কিন্তু নতুন এই সার্ভিসটির বিষয়ে কিছু নেগেটিভ কথা শুনেছিলাম। ভাবলাম যদি কাজ হয়। ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে বিস্তারিত জানালাম। ওপাশে যিনি রিসিভ করেছিলেন তিনি আবার কারও সাথে কনফারেন্স করলেন। আবার তাকে একই জিনিস জানালাম। উনি বললেন ফোর্স পাঠাচ্ছেন। ২০ মিনিটের ভেতর দেখলাম ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি চলে এসেছে।

তার দুই মিনিটের ভেতর হাইওয়ে টহল পুলিশ। ফায়ার সার্ভিস লোক তিনটিকে হাসপাতালে নিয়ে গেল। ৯৯৯ কে অসংখ্য ধন্যবাদ। ৯৯৯ এর ক্ষেত্রে যে নেগেটিভ ধারণা ছিল তা ভুল প্রমান হল।

সজীব ওয়াজেদ জয় সাহেবকে অসংখ্য ধন্যবাদ এমন সার্ভিস চালু করার জন্য। ৯৯৯ না থাকলে হয়ত লোকগুলোর অবস্থা অন্যরকম হতে পারত। ধন্যবাদ পাওয়ার উদ্দেশ্যে পোষ্টটি দিচ্ছি না। ধন্যবাদ বা এপ্রিসিয়েট দিয়ে আমাকে ছোট করবেন না। মানুষের পাশে দাঁড়ান, সাহায্য করুন। হয়ত আপনার কারণে একটি জীবন বেঁচে যেতে পারে। মানুষ মানুষের জন্য। ধন্যবাদ।

খালেদ বিন আলমের ফেসবুক থেকে।

ট্যাগ: banglanewspaper ৯৯৯ সজীব ওয়াজেদ জয়