banglanewspaper

চলতি বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৯ উইকেটের বিশাল জয় নিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করলো দক্ষিণ আফ্রিকা। ফলে, বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নিল ১৯৯৬ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন লঙ্কানরা।

শ্রীলঙ্কার ছুড়ে দেওয়া ১৩৪ রানের টার্গেট মাত্র ১৮ ওভার খেলেই টপকে যায় প্রোটিয়ারা।

শ্রীলঙ্কার দেওয়া ১৩৪ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নামে দ. আফ্রিকা। প্রোটিয়াদের হয়ে ব্যাটিং সূচনা করতে আসেন হাশিম আমলা এবং কুইন্টন ডি কক। দুই প্রোটিয়া ওপেনার লঙ্কান বোলারদের সহজভাবেই সামলে নিয়ে খেলেন। দু’জনে মিলে ৪০ রানের জুটি গড়েন।

ছোট টার্গেট তাড়া করতে নেমে প্রোটিয়া ওপেনার হাশিম আমলা সাজঘরে ফেরেন দলীয় ৪০ রানের মাথায়। ইনিংসের সপ্তম ওভারের চতুর্থ বলে কুলাসেকারার তালুবন্দি হন আমলা। মালিঙ্গার শিকারে সাজঘরে ফেরার আগে তিনি ২৩ বলে ১৬ রান করেন।

দলীয় ৪০ রানের মাথায় প্রোটিয়া ওপেনার হাশিম আমলা ফিরে গেলেও ব্যাটিং ক্রিজে আরেক ওপেনার ডি কক ওয়ানডে ক্যারিয়ারের পঞ্চম অর্ধশতক হাঁকিয়ে ৭৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। ৫৭ বলে ১২টি চারের সাহায্যে তিনি ইনিংসটি সাজান।

আর তিন নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামা ফাফ ডু প্লেসিস করেন ২১ রান। দু’জনে মিলে ৯৪ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান।

এর আগে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রোটিয়াদের বোলিং তোপে পড়ে ৩৭.২ ওভার খেলে মাত্র ১৩৩ রানেই গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৫ রান আসে কুমার সাঙ্গাকারার ব্যাট থেকে। এছাড়া থিরিমান্নে ৪১ ও ম্যাথুজ ১৯ রান করেন। লঙ্কানদের ব্যাটিং ব্যর্থতার দিনে আর কোনো ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেন নি।

প্রোটিয়াদের হয়ে ইমরান তাহির ৪টি আর জেপি ডুমিনি হ্যাটট্রিক করে ৩টি উইকেট দখল করেন।

ট্যাগ: