banglanewspaper

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: আসন্ন ১১তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বর্তমান সরকারের অভূতপূর্ব উন্নয়নমূলক কাজ সমস্ত জনসাধারণের দৌড় গোড়ায় পৌছে দিতে এবং নৌকা প্রতীকে ভোট চেয়ে ব্যাপক প্রচার-প্রচানায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে দেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৭৮, কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী ও খোকসা) আসনের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

তবে আগামী নির্বাচনে কাকে নৌকার মাঝি হিসেবে এই আসনের দায়িত্ব দেওয়া হবে?এমন প্রশ্নের উত্তরে এই আসনের একজন মনোনয়ন প্রত্যাশী কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক, যুদ্ধকালীন কমান্ডার, আওয়ামী লীগের দুর্দিনের কান্ডারী, রাজপথের লড়াকু সৈনিক ও দলের ত্যাগী এবং পরীক্ষিত নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহিদ হোসেন জাফর।

তিনি বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কুষ্টিয়া-৪ আসনে দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা কর্মীকে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন দেবেন।

শনিবার সকালে কুমারখালী শহরে গনসংযোগ শেষে উপজেলা চত্বরে চ্যানেল আই, ডিবিসি নিউজ, একুশে টিভি সহ প্রিন্ট মিডিয়ায় সাক্ষাৎকালে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন আসন্ন ১১তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ ও চ্যালেন্জিং নির্বাচন। এদেশের বুকে যেন অপশক্তি আর মাথা চারা দিয়ে উঠতে না পারে,সে লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বৃদ্ধ হয়ে দল বল নির্বিশেষে বার বার নৌকা প্রতীকে ভোট দিতে হবে।

কুষ্টিয়া-৪ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী বর্তমান সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ ও সাবেক সংসদ সদস্য বেগম সুলতানা তরুন কে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারি কি না?এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,বর্তমান সংসদ সদস্য একজন পরিশ্রমী ও ত্যাগী কর্মী এবং সুলতানা তরুন সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম গোলাম কিবরিয়া'র  পুত্রবধু ও সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম আবুল হোসেন তরুন এর সহধর্মীনি এবং আওয়ামীলীগের ত্যাগী তরুন পরিবারের সদস্য।তবে মনোনয়নের ব্যাপারে নেত্রীই ভাল জানেন।

এসময় আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ,ইলেক্ট্রিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ সহ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

জাহিদ হোসেন জাফর ১৯৬৫ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়।১৯৬৭ সালে কুষ্টিয়া কলেজ ছাত্রলীগের সদস্য নির্বাচিত হয়। ১৯৬৮ সালে কলেজ ছাত্রলীগের ক্রিয়া বিষয়ক সম্পাদক, একই সালে তিনি কুষ্টিয়া সদর মহকুমা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক,১৯৬৯ এর গণঅভ্যুথানে ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন।

১৯৭০ সালে কুষ্টিয়া সদর মহকুমা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ১৯৭৮ সালে পান্টি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৮৬ সালে কুমারখালী থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, ১৯৯০ সালে কুমারখালী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৯৬ সালে কুমারখালী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি, ২০০১ সালে কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক, ২০০৬ সালে জেলা আওয়ামী লীগের ১নং যুগ্ম-আহবায়ক, ২০০৭ সালে পুনরায় কুমারখালী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি।

তিনি ২০১১-২০১৬ পর্যন্ত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক মনোনীত হয়ে কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।

২০১৬ সাল হতে অদ্যবধি কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।'

ট্যাগ: Banglanewspaper প্রধানমন্ত্রী কুমারখালী-খোকসা আসন