banglanewspaper

নিজস্ব প্রতিনিধি: জবি শাখা ছাত্রলীগ সাবেক নেতা মিরাজ হোসেন রাজের বিরুদ্ধে গত বছর ১০ ফেব্রুয়ারি মিরপুর থানায় অভিযোগ করেন এক নারী চিকিৎসক। অভিযোগে বলা হয়, ওই নারী চিকিৎসকের নগ্ন ছবি ও আপত্তিকর ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন মিরাজ।

কিন্তু এক বছর ধরে তদন্তের পর পুলিশ চুড়ান্ত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছেন, মিরাজের বিরুদ্ধে করা অভিযোগটি সত্য নয়। ওই নারী তার হীন স্বার্থ চরিতার্থ করতেই মিরাজের বিরুদ্ধে এই মামলাটি করেছিলেন।

গত বছর মিরপুর থানায় ওই নারী চিকিৎসক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭(২) ধারায় মিরাজ হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করলে মিরাজ এ মামলায় কিছুদিন আটকও ছিলেন। সেই মামলার তদন্ত ভার পায় মিরপুর থানা পুলিশ এবং সিআইডি।

তদন্ত শেষে গত ১১ ফেব্রুয়ারি সিআইডি’র দেওয়া চুড়ান্ত প্রতিবেদনে অভিযোগটির সত্যতা পায়নি বলেই জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, মিরাজ হোসেনের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের সত্যতা মেলেনি। ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে,’বাদীনি তার হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য এই মামলাটি করেছিলেন এবং বাদীনি মিথ্যা মামলা করায় তার বিরুদ্ধে পেনাল কোডের ধারা-২১১ মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আদেশ প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হয়।

জানতে চাইলে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির এসআই  আশরাফুল ওমর বলেন, ‘আমরা তদন্ত করেছি। তদন্তে মিরাজের বিরুদ্ধে অভিযোগটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। সে হিসেবেই রিপোর্টটি দেওয়া হয়েছে।’

জানতে চাইলে মিরাজ হোসেন রাজ বলেন,‘আমি জানতাম আমি নির্দোষ। মুলত আমাকে রাজনৈতিক এবং সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য বিভিন্ন কুচক্রী মহলের সহযোগীতায় আমার বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করা হয়।

উল্লেখ্য, এক বছর আগে করা ওই নারী চিকিৎসকের মামলার অভিযোগে বলা হয়েছিল, মেয়েটির সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে রাজের পরিচয় হয়। এর জেরে তাদের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। 

অভিযোগ রয়েছে, তাদের কিছু অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ফেসবুকে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে ওই চিকিৎসককে অনৈতিক সম্পর্কে জড়াতে বাধ্য করেন রাজ। কিন্তু বিয়ের জন্য চাপ দিলে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। এছাড়া বেনামে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে ধারণ করা ভিডিওগুলো বাদীর কাছের লোকজনের কাছে রাজ পাঠিয়ে দেয় বলেও অভিযোগ করেন ওই নারী চিকিৎসক।

ট্যাগ: Banglanewspaper জবি