banglanewspaper

কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীদের ছবি তোলা ও হুমকি দেওয়া বিষয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড মাহবুবর রহমানের নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন জায়গায় যে সংবাদ ছড়ানো হচ্ছে তা সম্পূর্ণ রূপে অসত্য ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত বলে অভিযোগ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মাহবুবর রহমান।

তিনি বলেন, ৯ এপ্রিল কোটা বিরোধী আন্দোলনের দিন তিনি সার্বক্ষনিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রক্টরিয়াল বডিকে সাথে নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত ছিলেন। কারন হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন আগের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভিসির বাসভবনে যে ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়েছিল তারা আসলে কারা ছিল ততক্ষনে তা সঠিক ভাবে নির্ণয় করতে পারেনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

তাই অনুরূপ কোন অপ্রীতিকর ঘটনা যেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে না ঘটে এবং বহিরাগতদের উচ্ছৃঙ্খল ঘটনার জন্য যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিপদে না পড়েন সেজন্য সেদিন আন্দোলনকারীদের ছবি সংরক্ষণ করে রাখার কথা তিনি দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন। এসময় কিংবা পরবর্তীতে আন্দোলনকারীদের যে হুমকির কথা বিভিন্নভাবে বলা হয়েছে তা সম্পূর্ণরূপে বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি আরো বলেন আন্দোলনকারীদের ভেতরে বহিরাগত ও অনুপ্রবেশকারীর বিষয়ে গোপন তথ্য থাকায় ফুটেজ দেখে পরবর্তীতে সেখান থেকে বহিরাগত অনেককে সনাক্ত করা হয়েছে। গত ৯ এপ্রিলের আন্দোলনে ইবির সাংবাদিক নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তারাও প্রক্টরিয়াল বডিরকে সহযোগিতা করার আপ্রান চেষ্টা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যার্থ হয়েছেন।

মুলত: বহিরাগতের কারনে আন্দোলনকারীরা তাদের নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ফেলেছিল। ছাত্রলীগের উপর আনীত অভিযোগের প্রেক্ষিতে ছাত্রলীগ সভাপতি শাহিনুর রহমান বলেন- সেদিন সাধারন সম্পাদক ও আমি ছাত্রদের কাছে বারংবার যাই, কিন্তু পরিস্থিতি অনুকূল না থাকায় ও আন্দোলনকারীরা অসহিষ্ণু আচরণ দেখে আমরা সেখান থেকে চলে আসি।

প্রক্টরের ছবি তোলা ও হুমকির বিষয়ে তিনি বলেন- "আন্দোলন বিশৃংখলায় রূপ নিলে নিরাপত্তার স্বার্থে পরিস্থিতি প্রক্টর স্যার কিংবা প্রশাসন যা মেজার নেয়ার দরকার তিনি তাই নিবেন এটাই স্বাভাবিক। এটা নিয়ে বিতর্কের কিছু দেখিনা।

গত ৯ মে মানববন্ধন সম্পর্ককে প্রক্টর বলেন সেদিন প্রেসক্লাবে সভাপতি রুদ্রসহ সবাই উপস্থিত ছিলাম হুমকির কথা আসল কেন, বুঝলাম না?”

তিনি আরো বলেন “ যেকোন যৌক্তিক আন্দোলনকে সব সময় বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ সমর্থন দিয়ে এসেছে, ভবিষ্যতেও দিবে কিন্তু আন্দলনকে ব্যবহার করে কেউ অপতৎপরতা চালালে কিংবা ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করলে সে ব্যাপারে বরাবরের মতোই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তৎপর থাকবে, নিরাপত্তার স্বার্থে ছবি সংরক্ষন রুটিন কাজ এর ব্যাতয় ঘটানোর কোন সুযোগ নেই।"

ট্যাগ: Banglanewspaper কোটা আন্দোলন ইবি প্রক্টর