banglanewspaper

ফরহাদ খান, নড়াইল: নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের আন্তরিকতায় কিশোরী অপহরণ ঘটনা উন্মোচিত হয়েছে। পাশাপাশি মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি মিলছে পাঁচ যুবকের।

এ ঘটনায় অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী কথিত অপহৃত সেঁজুতি রায় ঐশীকে (১৪) উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঐশীর বাবা নড়াইল জজকোর্টের আইনজীবী।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পড়ালেখা নিয়ে ঐশীকে তার বাবা প্রায়ই বকাঝকা করত। এ নিয়ে ঐশী তার বাবার ওপর অভিমান করে গত ২০ মে পরিবারের কাউকে কিছু না বলে সদর উপজেলার শোলপুরের বাড়ি থেকে ঢাকায় এক বান্ধবীর বাসায় চলে যায়। পরেরদিন ২১ মে ঐশীর বাবা সদর থানায় শোলপুর গ্রামের হবি শেখের ছেলে নয়ন শেখসহ (৩১) আরো ৪-৫ জনের নামে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, নয়নসহ তার সহযোগীরা ঐশীকে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে অপহরণ করে। গত ২০ মে বেলা ১১টার দিকে বাড়ির সামনে থেকে ঐশীকে অপহরণ করে মোটরসাইকেলে যশোরের নওয়াপাড়ার দিকে নিয়ে যায় তারা। 

এ ঘটনায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন ঐশীর অবস্থান সনাক্ত করার চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে ঢাকার দারুস সালাম এলাকা থেকে ঐশীকে উদ্ধার করে সোমবার (২৮ মে) নড়াইলে নিয়ে আসে পুলিশ।

এ ব্যাপারে ঐশী পুলিশকে জানায়, তাকে কেউ অপহরণ করেনি। বাবার ওপর অভিমান করে ঢাকায় বান্ধবীর বাসা চলে যায় সে। সদর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, আদালত ঐশীর জবান লিপিবদ্ধ করেছেন। পরবর্তীতে তাকে (ঐশী) পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলাটি নিষ্পত্তি করা হবে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম বলেন, ঐশীকে উদ্ধারের মধ্য দিয়ে অপহরণ বিভ্রান্তির অবসান হলো। এ ব্যাপারে সচেতনমহল বিভিন্ন পেশার মানুষ বলেন, এসপি মহোদয়ের আন্তরিকতায় মিথ্যা মামলার প্রকৃত ঘটনা উন্মোচিত হলো। এলাকার নিরাপরাধ কয়েকজন যুবক মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেলেন। পুলিশ সুপারের আন্তরিকতায় পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়বে।

ট্যাগ: Banglanewspaper নড়াইল পুলিশ সুপার