banglanewspaper

ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্যে অভিযুক্ত শিক্ষদের সকল প্রকার প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

সোমবার বিকাল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতির মাধ্যমে তাদের অব্যাহতি প্রদান করা হয়।

রেজিস্ট্রার সাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ বোর্ডের প্রার্থী ফারজানা আক্তার এবং তার স্বামী শাহরিয়ার আল মামুনের সাথে ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ, বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. বাকী বিল্লাহ বিকুল এর নিয়োগ বাণিজ্যের অডিও ফাঁস এবং পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের অভিযোগের কারণে ইতোমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কাজে স্বচ্ছতা আনয়নের জন্য অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু হল প্রভোস্টের দায়িত্ব থেকে সাময়িক ভাবে অব্যাহতি প্রদান করা হয়।

একই সাথে ড. বাকী বিল্লাহকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-ছাত্র মিলনায়তনের পরিচালকের দায়িত্ব হতে সাময়িকভাবে অব্যহতি দেওয়া হয়। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ১২ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ বোর্ড অনুষ্ঠিত হয়। এতে ফারজানা আক্তার নামের এক প্রার্থীকে ২০ লাখ টাকার বিনিময়ে চাকুরী দেওয়ার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয় অভিযুক্ত ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ এবং বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. বাকী বিল্লাহ বিকুল।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক অডিও ফাসেঁর মাধ্যমে নিয়োগ বাণিজ্যে দুজনের জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। পরে ১৫ জুলাই বাণিজ্যে জড়িত থাকার বিষয়টি তদন্ত করার জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস, এম আব্দুল লতিফ বলেন,‘নিয়োগ বাণিজ্যের অডিও ফাঁসের ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি কাজ করেছে। এই তদন্ত কাজে স্বচ্ছতা আনতে অভিযুক্ত শিক্ষকদের প্রশাসনিক দায়িত্ব হতে বিরত রাখার সিন্ধান্ত গ্রহন করেছে প্রশাসন।’

ট্যাগ: Banglanewspaper ইবি নিয়োগ বাণিজ্য