banglanewspaper

মজিবুর রহমান, কেন্দুয়া: নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের গড়াডোবা বাজার সংলগ্ন কমিউনিটি ক্লিনিকটি প্রতিদিন খোলা হয় না। ক্লিনিকের দ্বায়িত্বে থাকা সিএইচসিপি সারোয়ার হোসেনের ইচ্ছামত চলে ওই ক্লিনিকের কার্যক্রম।

খোলা হয় সীমিত সময়ের জন্য সপ্তাহে একদিন কিংবা দুইদিন। আর এই খবর জেনেও অদৃশ্য কারণে তার ওপর কোন ব্যবস্থা নেয়নি ক্লিনিকটির দেখভালকারী কর্মকর্তারা।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সরজমিনে গিয়ে ক্লিনিকটি এমনই চিত্র চোখে পড়ে। ক্লিনিকটি এমন চিত্র প্রতিদিনের। সরকার তৃর্ণমূলে চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে গড়াডোবা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের গড়াডোবা বাজার সংলগ্ন ওই ক্লিনিক স্থাপন করা হয়।

গত ৭/৮ মাস আগে এই ক্লিনিকের দ্বায়িত্বরত মরিয়ম আক্তার অন্যত্র বদলী হলে সারোয়ার হোসেনকে দ্বায়িত্ব দেয়া হয়। সারোয়ার হোসেন দ্বায়িত্ব নেয়ার পর থেকে সপ্তাহে একদিন কিংবা দুইদিন ক্লিনিকে আসেন শুধু খাতাপত্র ঠিক করতে। এদিকে সারোয়ার হোসেনের অবহেলার কারণে স্থানীয়রা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হলেও কর্তৃপক্ষ জেনেও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না।

ক্লিনিকটিতে থালা ঝুলছে দেখে মুটোফোনে সিএইচসিপি সারোয়ার হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান,তার গ্রামের বাড়ি মদন উপজেলায়। গ্রামের বাড়ি দুরে হওয়ায় প্রতিদিন তিনি ক্লিনিকে আসতে পারেন না। বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষও জানেন বলে জানায় সারোয়ার।

গড়াডোবা গ্রামের বাসিন্দা কাজিম উদ্দিন খান ও আল-আমীন জানায়, প্রতিদিনই ক্লিনিকটি বন্ধ থাকে। মাঝে মাঝে যদিও আসে এক ঘন্টার বেশি সময় থাকে না। চিকিৎসা সেবা নিতে আসা মানুষগুলো হতাশ হয়ে খালি হাতে বাড়ি ফিরে যায়।

এ বিষয়ে উপজেলা হেলথ পরিদর্শক আব্দুস সালাম বলেন, এই ক্লিনিকটি শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত খোলা থাকার নিয়ম রয়েছে। গত ১৪ জুলাই ওই কমিউনিটি ক্লিনিকে পরিদর্শন করেছি সেদিন তো সে উপস্থিত ছিল। 

সারোয়ার হোসেনের অনুপাস্থিতির বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প.কর্মকর্তা ডাক্তার জিন্নাত সাবাহ্ স্বীকার করে বলেন, এই ক্লিনিকের দ্বায়িত্বে থাকা ছেলেটির বাড়ি অন্য উপজেলায় তাছাড়া সে চাকুরীর মায়া বুঝে না।

ট্যাগ: Banglanewspaper কেন্দুয়া কমিউনিটি ক্লিনিক