banglanewspaper

মোস্তাফিজুর রহমান, বরগুনা: বরগুনার পাথরঘাটা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের চালনা এলাকায় ঝড়ো হাওয়ার কবলে পড়ে আরেকটি  এফবি আল্লারদান  নামের ট্রলার ডুবে  নিখোঁজ ১৯ জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

২২ জুলাই রোববার বেলা ১২টার দিকে পাঁচটি ট্রলারের জেলেরা তাদের উদ্ধার করে। তবে ডুবে যাওয়া এফবি অর্ক নামে ট্রলারটির এখনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

উদ্ধার জেলেদের মধ্যে দুলাল মাঝি , মিন্টু , আইউব আলী , ছিদ্দিক , নাসির , রুবেল, সোলায়মান , রাহাত , মনির (২৫), সফিক , হাকিম , কাশেম ও মোতালেবের নাম জানা গেছে। তাদের সবার বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে।

বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মো. গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, শনিবার গভীর রাতে নিখোঁজ জেলেদের মুমূর্ষু অবস্থায় সাগরে ভাসতে দেখে উদ্ধার করে চট্টগ্রামের বাঁশখালী এলাকার মো. জাকির হোসেন মাঝির একটি ট্রলার। পরে তাদের মংলা নিয়ে যায়। উদ্ধার ১৯ জেলেকে মংলা থেকে বরগুনার পাথরঘাটা আনা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, গভীর সমুদ্রে প্রচণ্ড ঝড়ের কবলে পড়ে ২১ জুলাই শনিবার বিকেল বরগুনার সদরের আশুতোষ সরকারের মালিকানা এফবি অর্ক ট্রলারটি ১৯ জেলেসহ ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকায় ট্রলারটি ডুবে যায়। পরে বরগুনা জেলা ফিশিং ট্রলার শ্রমিক ইউনিয়ন ও বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সমন্বয় পাঁচটি ট্রলার উদ্ধার অভিযান শুরু করে। বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন এলাকায় অনেক খোঁজাখুঁজির পর ২০ বামের পশ্চিম এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাদের উদ্ধার করে।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া জেলেদের পাথরঘাটা সংলগ্ন বিষখালী ও বলেশ্বর মোহনা এলাকা পর্যন্ত এসেছে বলেও জানিয়েছে তিনি।

এদিকে ২১ জুলাই শনিবার সকালের দিকে গভীর সমুদ্রে এফবি তারেক-১ ট্রলারসহ ১৭ জেলে ডুবে যাওয়ার অন্তত ৬ ঘণ্টা পর ১৬ জেলেকে উদ্ধার করা হলেও ওই ট্রলারের বাবুর্চি মো. আমির হোসেনের এখনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।

এছাড়া এফবি আল্লারদান ট্রলারের আবু কাওছার ও বেল্লাল ফরাজির সন্ধান্ত পাওয়া যায়নি।

ট্যাগ: Banglanewspaper বরগুনা