banglanewspaper

তথ্য প্রযুক্তির নিরাপত্তায় সাইবার ইমারজেন্সি রেসপন্স টিম গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। বলেছেন, এই ব্যবস্থা থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ হ্যাকিং এর ঘটনা ঘটত না।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর আইসিটি ভবনে সফটওয়্যার পরীক্ষা ল্যাবের উদ্বোধনকালে এক মন্তব্য করেন জয়।

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারির শুরুতে সুইফট মেসেজিং সিস্টেমের মাধ্যমে ৩৫টি ভুয়া বার্তা পাঠিয়ে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউ ইয়র্কে রক্ষিত বাংলাদেশের এক বিলিয়ন ডলার সরিয়ে ফেলার চেষ্টা হয়।

এর মধ্যে পাঁচটি মেসেজে ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার যায় ফিলিপিন্সের আরসিবিসিতে। আর আরেক আদেশে শ্রীলঙ্কায় পাঠানো হয় ২০ লাখ ডলার।

শ্রীলঙ্কায় পাঠানো অর্থ ওই অ্যাকাউন্টে জমা হওয়া শেষ পর্যন্ত আটকানো গেলেও ফিলিপিন্সের ব্যাংকে যাওয়া অর্থের বেশিরভাগটাই স্থানীয় মুদ্রায় বদলে জুয়ার টেবিল ঘুরে চলে যায় নাগালের বাইরে।

রিজল ব্যাংকের একটি শাখা হয়ে বেরিয়ে যাওয়া ৮ কোটি ১০ লাখ ডলারের মধ্যে এক ক্যাসিনো মালিকের ফেরত দেওয়া দেড় কোটি ডলার বাংলাদেশকে বুঝিয়ে দিয়েছে ফিলিপিন্স।

২০১৬ সালের ১৯ অক্টোবর ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী সাইবার ইমারজেন্সি রেসপন্স টিম গঠনের কথা বলেন। পরে গঠন করা হয় এই টিম।

জয় বলেন, ‘প্রথমবারের মতো আমাদের আইসিটি ডিভিশনে এটা হয়েছে। এখন বাংলাদেশে কোনো হ্যাকিং হলে আমরা ধরতে পারবো। তাদের আমরা জানাতে পারব।’

‘এখন থেকে যে কোনো ধরনের হ্যাকিংয়ের ঘটনা দ্রুত উদঘাটন করা সম্ভব হবে। যত সাইবার সিকিউরিটি আক্রমণ হচ্ছে, হ্যাকিং হচ্ছে এখান থেকে ধরা সম্ভব।’

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোকে আমরা সাহায্য করব হ্যাকিং ঠেকাতে। এটা বলতে পারি এই সিস্টেম যদি কয়েক বছর আগে থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংকের হ্যাকিং আমরা আগেই ধরতে পারতাম। এই সিস্টেম আমাদের ছিল না এখন আছে।’'

ট্যাগ: Banglanewspaper সাইবার রেসপন্স টিম