banglanewspaper

কবিতার মাধ্যমে ‘সন্ত্রাসবাদ উসকে’ দেয়ার অভিযোগে ফিলিস্তিনের একজন মহিলা কবিকে পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে ইসরায়েলের একটি আদালত। খবর আল জাজিরার।

দারিন তাতোর নামে তরুণ এই কবির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘সন্ত্রাসবাদ উসকে’ দেয় এমন একটি কবিতা পোস্ট করেছেন।

ইসরায়েলের নাগরিক ৩৬ বছর বয়সী তাতোরকে মঙ্গলবার দেশটির নাজারেথ জেলার একটি আদালত কারাদণ্ড দেয়। গত তিন বছর ধরে তিনি গৃহবন্দী ছিলেন।

২০১৫ সালের অক্টোবরে পুলিশের একটি অভিযানে তাকে আটক করা হয়। ‘প্রতিহত, আমাদের লোকেরা তাদের প্রতিহত করছে’ শিরোনামে একটি কবিতা ফেসবুক ও ইউটিউবে পোস্ট করার কয়েক দিন পরই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কবিতার ভিডিওতে ইসরায়েলি সেনাদের সঙ্গে ফিলিস্তিনি জনগণের সহিংস প্রতিরোধের ছবিও যুক্ত করা হয়।

আদালতে কৌঁসুলিরা বলেছেন, তার পোস্টে সহিংসতার আহ্বান রয়েছে। তিনি গত কয়েক বছর ধরে গৃহবন্দী ছিলেন। এই সময় তিনি কোনো কবিতা প্রকাশ বা ইন্টেরনেট ব্যবহার করতে পারতেন না।

তাতোরের আইনজীবী গ্যাবি লেসকি আল জাজিরাকে বলেন, তারা আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন।

লেসকি বলেন, ‘আমি মনে করি না এটা কবিতা লেখার জন্য। এমনকি যদি এটি সরকারের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ হয়।’

‘এটা খুবই দুঃখজনক যে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে একটি দেশ কবিতা লেখার জন্য একজন কবিকে জেলে পাঠাচ্ছে। সরকার পক্ষের কৌঁসুলিরা ১৫ থেকে ২৬ মাসের কারাদণ্ড চেয়েছিলেন। আদালতের বিচারক তাকে পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে। যা অনেক বেশি শাস্তি।’

মে মাসে কবিতার মাধ্যমে অনলাইনে ‘সন্ত্রাসবাদ’ উসকে দেয়ার অভিযোগ তাতোরকে অভিযুক্ত করা হয়। কিন্তু তিনি এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন।

তিনশ বারের চেয়ে কম দেখা একটি ভিডিওতে তাতোর ফিলিস্তিনিদের ‘শান্তি চুক্তি’ মেনে না নিতে আহ্বান জানান।

ট্যাগ: ইসরায়েল