banglanewspaper

বাংলাদেশ থেকে আগামী ৩ বছরে ১৫ লাখ শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া। এ লক্ষ্যে দুদেশের মধ্যে গভর্নমেন্ট টু গভর্নমেন্ট (জিটুজি) প্লাস প্রক্রিয়ায় কর্মী প্রেরণের সমঝোতা স্মারকের খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।

শফিউল আলম বলেন, ‘‌‌‌প্রতিজন কর্মী পাঠাতে ৩৪ থেকে ৩৭ হাজার টাকা অভিবাসন ব্যয় হবে। তবে সংশ্লিষ্ঠ নিয়োগকর্তাই এ ব্যয় প্রদান করবেন।’ জিটুজি প্লাস সমোঝতা স্মারক বাস্তবায়ন হলে ২০১২ সালের সমঝোতা স্মারক ও ২০১৪ সালের প্রটোকল চুক্তি বাতিল হবে বলেও জানান তিনি।

এর আগে দুটো চুক্তির পরও নতুন করে কেন জিটুজি চুক্তি করা হচ্ছে?- এমন প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আগের চুক্তি দুটি ফেল করেছে। রিক্রুটিং এজেন্সি সম্পৃক্ত না থাকায় প্রত্যাশিত পরিমাণে জনবল পাঠানো যায়নি। এবার এ চুক্তিতে রিক্রুটিং এজেন্সি যুক্ত করা হয়েছে। আশা করছি, এবার কাঙ্ক্ষিত সংখ্যক শ্রমিক পাঠানো সম্ভব হবে।’

রিক্রুটিং এজেন্সি মূলত কর্মীদের সার্বিক সহযোগী হিসেবে কাজ করবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এজেন্সি এর আগে সরকারের তৈরি করা ডাটাবেজ থেকে কর্মী সংগ্রহ করবে। তারপর তাদের প্রশিক্ষণ এবং বায়োমেট্রিক পদ্ধতির কাজও তারা করবেন।’

 

ট্যাগ: