banglanewspaper

মোটামুটি বড়সড় তিনটি গরুর দামে একটি ছাগল। শুনে অবাক হওয়ার কথা। কিন্তু ঘটনা সত্য। ১৬৫ কেজি ওজনের ছাগলটি বিক্রি হয়েছে ২ লাখ ৯০ হাজার টাকায়।

কোরবানি ঈদ সামনে রেখে ভারতীয় আজমিরি জাতের ছাগলটি বিক্রি করেছে রাজধানীর মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ সংলগ্ন সাতমসজিদ হাউজিংয়ের সাদিক এগ্রো। দুই দিন আগে বিক্রি হওয়া ছাগলটি এখন ওই খামারেই আছে। ঈদের আগে সেটি পৌঁছে দেয়া হবে ক্রেতার বাড়ি।

চলতি বছর সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হওয়া এই ছাগলটির উচ্চতা তিন ফুট এবং লম্বায় চার ফুট। এই খামার থেকেই এবারের সবচেয়ে বেশি দামে- ২৮ লাখ টাকা- বিক্রি হয়েছে একটি গরু।

দুই লাখ ৯০ হাজার টাকায় বিক্রি হওয়া ছাগলটির আকারের আর কোনো ছাগল নেই সাদিক এগ্রোতে। তবে শত কেজি ওজনের বেশ কিছু ছাগল এখনো আছে বলে জানান খামার কর্তৃপক্ষ। 

সাদিক এগ্রোর সাত মসজিদ হাউজিং খামারটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছেন মো. সুমন খান বলেন, '১৬৫ কেজি ওজনের যে ছাগলটি আমরা বিক্রি করেছি, এত বড় ছাগল আমাদের এখানে আর নেই। তবে, বড় আকারের ছাগল আরও অনেক আছে। মূল্য এক লাখ টাকার ওপর।' এ খামারে ১ লাখ টাকার কম মূল্যের ছাগল নেই বলে জানান তিনি। 

এখানে দেশি ছাগল কিনতে গুনতে হচ্ছে কমপক্ষে এক লাখ টাকা। আকার ও ওজন ভেদে দুই লাখ টাকার মধ্যে মিলছে এসব ছাগল।

এ ছাড়া রয়েছে ভারতীয় ছাগলের কয়েকটি জাত। এর মধ্যে চাহিদায় এগিয়ে আজমিরি ছাগল।

দেশের অন্যতম বৃহৎ আয়তনের এগ্রো ফার্মটি গত বছর দুবাইয়ের বেশ কিছু জাতের ছাগল বিক্রি করলেও এবার সেখানে তা চোখে পড়েনি। 

প্রতি বছরের মতো এবারও বিক্রি হচ্ছে দুম্বা। ভারতীয় জাতের এসব দুম্বা বিক্রি হচ্ছে দেড় লাখ থেকে আড়াই লাখ টাকায়।

এ ছাড়া কোরবানির মূল চাহিদা গরু তো রয়েছেই। ছোট জাতের দেশি ষাঁড় থেকে শুরু করে আট থেকে দশ জাতের গরু বিক্রি হচ্ছে এই খামারে। এখান থেকেই এবারের সবচেয়ে বেশি দামের গরুটি বিক্রি হয়েছে কয়েক দিন আগে। পাঁচ ফুট উচ্চতা আর নয় ফুটের বেশি লম্বা গরুটি বিকিয়েছে ২৮ লাখ টাকায়।

এখনো পর্যন্ত দর্শনার্থীর পরিমাণ বেশি থাকলেও শুক্রবার থেকে ক্রেতা আনাগোনা পুরোদমে শুরু হওয়ার আশা করছেন খামার সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগ: Banglanewspaper ছাগলের দাম