banglanewspaper

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামে এক কলেজছাত্রীর ঘরে পুলিশের এক উপ-পরিদর্শক (এসআই) আপত্তিকর অবস্থায় জনতার হাতে আটক হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে দেড় লাখ টাকা রফা হলে ছয় ঘণ্টা পর ওই এসআই ছাড়া পান।

বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার সদর ইউনিয়নের দুধ খাওয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী জানায়, রাজারহাট থানার এসআই মিজানুর রহমান রাজারহাট উপজেলার সদর ইউনিয়নের দুধখাওয়া গ্রামের এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের কলেজ পড়ুয়া কন্যার সাথে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। প্রায় রাতেই তিনি ওই বাড়িতে গিয়ে মেয়েটির সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন।

এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে এসআই মিজানুর রহমান ওই বাড়ির একটি ঘরে মেয়েটির সঙ্গে অনৈতিক কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়ার বিষয়টি এলাকাবাসী জানতে পেয়ে ঘরের দরজায় তালাবদ্ধ করে আটকে রাখে। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী এসময় ওই এসআইকে কিলঘুষি ও চড়ধাপ্পড় মারে।

পরে গভীর রাতে খবর পেয়ে রাজারহাট থানার অপর এসআই নুর আলম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি আপস-রফার প্রস্তাব দিলে স্থানীয় ইউপি সদস্য বিপ্লব, আবদুল কুদ্দুস ও আতিকসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে নগদ দেড় লাখ টাকা মেয়েটির হাতে দিয়ে বিষয়টি রফা করা হয়।

ইউপি সদস্য বিপ্লব সাংবাদিকদের কাছে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘এসআই নুর আলম আমাকে ওই বাড়িতে ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে দেড় লাখ টাকায় বিষয়টি রফাদফা করা হয়েছে।’

তবে অভিযুক্ত এসআই মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘মেয়েটি আমার ধর্ম বোন হওয়ায় মাঝেমধ্যে আমি তার বাড়িতে যেতাম। বৃহস্পতিবার রাতে একটা কাজে ওই এলাকা দিয়ে আসার পথে  মেয়েটির বাড়িতে প্রবেশের পর আমাকে কিছু মানুষ ধাক্কা দিয়ে তার ঘরের ভেতর ঠেলে দিয়ে আটকে রাখে।’

রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোখলেসুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, এসআই মিজানুরের বিষয়টি তিনি পুলিশ সুপারকে অবহিত করেছেন।

ট্যাগ: banglanewspaper আপত্তিকর অবস্থা