banglanewspaper

মোঃ নাসির উদ্দিন, নকলা (শেরপুর): ঈদ-উল-আযহা আরমাত্র তিনদিন বাকি (২২ আগষ্ট, বুধবার)। এই ঈদে মুসলিম উম্মাহরা সামর্থ অনুযায়ী পশু কোরবানি করে থাকেন। পশুর গোসত রান্নায় সুস্বাদু করতে বেশি প্রয়োজন হয় গরম মশলার। এসময় স্বাভাবিক কারনেই মশলার চাহিদা বাড়ে। তাই উপজেলার প্রতিটি দোকানে গরম মশলা ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করার মতো।

আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহাকে সামনে রেখে দোকানিরা ইচ্ছামত গরম মশলার দাম বাড়িয়েছেন। ক্রেতারা বেশি দামের কথা স্বীকার করলেও, বিক্রেতারা তা অস্বীকার করছেন। সুজাকথা, দাম বাড়ার বিষয়ে ক্রেতারা বলছেন হা, আর বিক্রেতারা বলছেন না। বিক্রেতারা জানান, শুধুমাত্র এলাচ ও ধনিয়া গুড়ার দাম কিছু বেড়েছে। বাকি সকল মশলার দাম স্বাভাবিক রয়েছে। সরজমিনে নকলা, নারাণখোলা, চন্দ্রকোণা, পাঠাকাটা, বারমাইশা বাজারসহ বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে এমনটাই দেখা গেছে।

বাজারে আসা ক্রেতারা জানান, এলাচের দাম কেজিতে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ধনিয়া গুড়ার দাম কেজিতে ৭০ থেকে ৯০ টাকা বেড়েছে।

এছাড়া অন্যান্য মশলার দাম কেজিতে জাত ও প্রকার অনুযায়ী ২০ টাকা থেকে ৯০ টাকা করে বেড়েছে। কিন্তু বিক্রেতারা এলাচ ও ধনিয়া ছাড়া অন্যান্য মশলার দাম বাড়ার বিষয়ে সরাসরি অস্বীকার করছেন। বর্তমানে রসুন প্রতি কেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, পিঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, আঁদা ১০০ থেকে ১২০ টাকা, হলুদ গুড়া ১৫৫ থেকে ১৬৫ টাকা, মরিচ গুড়া ২৫০ থেকে ২৭০ টাকা, লবণ খোলাটা ১৫ থেকে ১৮ টাকা এবং প্যাকেট ২৬ থেকে ৩০ টাকা এবং প্রতি ৫০ গ্রাম তেজপাতা ১০ টাকা, লবঙ্গ ৫৫ থেকে ৬৫ টাকা, দারুচিনি ২০ থেকে ২৫ টাকা, জিরা ৮৫ থেকে ৯০ টাকা, কিচমিচ ২০ থেকে ৩০ টাকা, বজ ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা, কালোজিরা ও মেতি ১০ থেকে ১৫ টাকা, গুলমরিচ ৫০ থেকে ৬৫ টাকা ও প্রতি পিচ জয়ফল বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা করে বেচা কেনা হচ্ছে।

ট্যাগ: banglanewspaper শেরপুর