banglanewspaper

মোঃ নাসির উদ্দিন, নকলা (শেরপুর): শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার চরঅষ্টধর ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদীর চরাঞ্চল টাঙ্গাগাইয়ার পাড়ার জনসাধারনের যাতায়াত সুবিধার চিন্তা করে ব্যক্তি ও নকলা অদম্য মেধাবী সহায়তা সংস্থা নামক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে নির্মিত সেই কাঠের ব্রীজটি জনচলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

১৯ আগষ্ট রোববার দুপুরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম মাহবুবুল আলম সোহাগ ফিতা কেটে উদ্বোধনের মাধ্যমে ওই ব্রীজটি জনসাধারন ও শিক্ষার্থীদের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এতেকরে ব্রহ্মপুত্র নদীর ওপারের দুর্গম এলাকা টাঙ্গাগাইয়ার পাড়া গ্রামের লোকজনের দুর্ভোগ কমল।

এসময়, নকলা উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এফএম কামরুল আলম রঞ্জু, ধনাকুশা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মনসুর আলী, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জিকরুল হাসান পিকুল ও সাধারন সম্পাদক মুজিবুল আজাদ ডেবিড, নকলা অদম্য মেধাবী সহায়তা সংস্থা’র সভাপতি মো. সফিক মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিনসহ বিভিন্ন বয়সের শত শত সুবিধাভোগী স্থানীয় জনগন উপস্থিত ছিলেন।

জানাগেছে, বাংলা-ইংরেজী ভার্সনে স্থানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন পত্রিকায় খবর প্রকাশের পর শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার চরঅষ্টধর ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদীর চরাঞ্চল টাঙ্গাগাইয়ার পাড়ার জনসাধারন ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সুবিধার্থে নকলা অদম্য মেধাবী সহায়তা সংস্থা ও উপজেলা চেয়ারম্যানের উদ্যোগে নির্মাণ করে দেওয়া হয় ৫০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৭ ফুট প্রস্থ বিশিষ্ট কাঠের ব্রীজ।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম মাহবুবুল আলম সোহাগ’র এক মাসের বেতন ও নকলা অদম্য মেধাবী সহায়তা সংস্থার অর্থায়নে অতি প্রয়োজনীয় ওই কাঠের ব্রীজটির নির্মাণ ব্যয় বহন করা হয়।

সোহাগ’র মত এমন উপজেলা চেয়ারম্যান ও নকলা অদম্য মেধাবী সহায়তা সংস্থা’র মতো যদি স্বেচ্ছা সেবী সংগঠন প্রতিটি এলাকায় গড়ে উঠত তাহলে দেশের কোন এলাকাতে দুর্ভোগ থাকতোনা বলে মনে করেন সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।

এবিষয়ে উপকারভোগীদের অনেকেই জানান, নকলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও নকলা অদম্য মেধাবী সহায়তা সংস্থা’র সৌজন্যে এখন থেকে উপজেলার টাঙ্গাগাইয়ার পাড়া গ্রামের সাধারন লোকজন সহ এই ব্রীজের উপকার ভোগ করবেন শত শত শিক্ষার্থী। এখন থেকে আর নিজ উপজেলা রেখে অন্য উপজেলা-জেলাতে গিয়ে পড়া লেখা করতে হবেনা। যাতায়াত অসুবিধার জন্য আর কোন সন্তান সম্ভবা মা ও কোন রোগীকে জীবন দিতে হবেনা। হয়ত শিক্ষায় পিছিয়ে থাকবেনা ওই এলাকার নারী সমাজ।

ট্যাগ: banglanewspaper নকলা