banglanewspaper

পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বাংলাদেশে বিটুমিনের সড়ক টিকবে না। পানি বিটুমিনের শত্রু। পানির সঙ্গেই আমাদের সবসময় বসবাস। আমাদের ২০ বছর মেয়াদি কংক্রিট সড়ক নির্মাণ করতে হবে।

প্রথম ১০ বছর কংক্রিট সড়কে হাতই দিতে হবে না। প্রথমে দিকে কংক্রিটের রাস্তায় খরচ বেশি পড়তে পারে কিন্তু টেকসই হিসেবে সেই খরচ বিটুমিনের চেয়ে অনেক কম হবে এবং মানুষের জীবনে শান্তি ফিরে আসবে।

গতকাল শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে ‘বাংলাদেশে মানসম্মত সড়ক অবকাঠামো বিনির্মাণ : সমস্যা ও সম্ভাবনা’ বিষয়ক সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি। এতে সভাপতিত্ব করেন পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র সচিব জিয়াউল ইসলাম।

আলোচনায় অংশ নেন নগর স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন, কলামিস্ট আবুল মকসুদ, বুয়েটের অধ্যাপক শামসুল হক, আইএমইডি সচিব মফিজুল ইসলাম, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব নজরুল ইসলাম, সওজ-এর প্রধান প্রকৌশলী ইবনে আলম হাসান প্রমুখ।

সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আপনারা কিসের আশায় বিটুমিনের সড়ক নির্মাণে আগ্রহী। এটা ভুলে যান। কংক্রিট সড়ক নির্মাণ করে মানুষকে মুক্তি দিন। পৃথিবীর অনেক দেশ বিটুমিন ছেড়ে কংক্রিট সড়ক নির্মাণ করছে বলেও জানান পরিকল্পনামন্ত্রী। কমলাপুরে কনটেইনার টার্মিনাল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কমলাপুর থেকে এটা সরাতে হবে। ঢাকায় জটলা নিরসনে এটা করতে হবে।

মুস্তফা কামাল বলেন, গতানুগতিক ধারা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। প্রয়োজনে একটি সুদূর প্রসারি নকশা তৈরি করতে হবে যেটি এখন থেকে ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন শুরু হবে। ২০ বছর মেয়াদি রাস্তা নির্মাণ করতে পারে এমন ঠিকাদার নিয়োগ দিতে হবে। এর ফলে মানুষের দুর্ভোগ কমবে।

দেশের উন্নয়ন তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন বিখ্যাত গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষণায় উঠে এসছে আগামী পাঁচ বছরের পর সিঙ্গাপুর ও দুবাইকে পেছনে ফেলবে বাংলাদেশ। তবে তার আগে দেশের সড়ক ঠিক করতে হবে। কেননা একটি দেশ অর্থনৈতিকভাবে অগ্রসর হওয়ার পূর্বশর্ত হলো উন্নত যোগাযোগের ব্যবস্থা।

ট্যাগ: bdnewshour24 পরিকল্পনামন্ত্রী