banglanewspaper

নিজস্ব প্রতিনিধি: জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনে মধ্যস্ততা করা জাফরুল্লাহ চৌধুরীর গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিকেলসে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলছে।

সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে আশুলিয়ার মির্জানগর এলাকায় অভিযান শুরু করে র‌্যাব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসন। র‌্যাব সদর দপ্তরের সারওয়ার আলম এসময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ রাসেল হাসান, মেডিকেল বোর্ড অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস হসপিটাল সার্ভিসেস ম্যানেজমেন্টের মেডিকেল অফিসার দেওয়ান মো. মেহেদি হাসান ও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ঔষধ পরিদর্শক নাহিদ আল আলমও উপস্থিত ছিলেন।

ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম জানান, গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিকেলসের বাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত অধিকাংশ  কাঁচামাল মেয়াদ উত্তীর্ণ অবস্থায়া পাওয়া গেছে। আর গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে মেয়াদ উত্তীর্ণ সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি পাওয়া গেছে।

অভিযান শেষে ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান তিনি।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী সম্প্রতি একটি বেসরকাটি টেলিভিশন লাইভে এসে সেনা প্রধান আজিজ আহমদকে নিয়ে অবান্তর মন্তব্য করে সমালোচিত হন। তিনি ভুল তথ্য দেয়ার পর সেনা সদরদপ্তর থেকে বিবৃতি দেয়া হয়। পরে জাফরুল্লাহ সংবাদ সম্মেলন করে দুঃখ প্রকাশ করেন। যদিও সেদিনও তিনি আরেকটি মিথ্যা তথ্য দেন।

এরপর সেনা সদরদপ্তরের পক্ষ থেকে জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরে সেটি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় রূপান্তর হয়।

এর বাইরেও জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি এবং জমি দখলের তিনটি মামলা হয়েছে আশুলিয়া থানায়। এসব মামলার মধ্যে চাঁদাবাজির দুটি মামলায় তিনি উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিনে আছেন।

গত ১৩ অক্টোবর ড. কামাল হোসেনের জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া, বিএনপি, নাগরিক ঐক্য এবং জেএসডি মিলে যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন করেন, সেখানে জাফরুল্লাহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দুই পক্ষের মধ্যে নানা মত ও পথের মিলন ঘটিয়ে তিনি ঐক্য গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

ট্যাগ: জাফরুল্লাহ ভ্রাম্যমাণ আদালত