banglanewspaper

মনকে চাঙ্গা করে তোলেঃ সিঁড়ি দিয়ে ওঠা বা নামার সময় আমাদের মস্তিষ্কের ভেতরে এন্ডোরফিন নামক ফিল গুড হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মন চাঙ্গা হয়ে উঠতে সময় লাগে না।

জয়েন্টের কর্মক্ষমতা বাড়েঃ লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহার করতে পারেন। কারণ খেয়াল করে দেখবেন সিঁড়ি ব্যবহার করলে জয়েন্টের কর্মক্ষমতা বেড়ে যায়। ফলে শরীরের বয়স বাড়লেও তার প্রভাব জয়েন্টের উপর পরতে পারে না।

পায়ের পেশির সচলচতা বৃদ্ধি পায়ঃ সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামার সময় আমরা আমাদের গ্র্যাভিটির বিপরীতে উঠি। ফলে পায়ের পেশির উপর চাপ পরে। এমনটা দিনের পর দিন হতে থাকলে একদিকে যেমন পায়ের নিচের অংশের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। তেমনি পেটের পেশির সচলতাও বাড়তে থাকে।

হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটেঃ সিঁড়ি দিয়ে ওঠা নাম করলে আর্থ্রাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। এই কারণেই তো ৪০-এর পর থেকে নারীদের লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

জিমের সমান উপকার মেলেঃ জিমে গিয়ে ৩০ মিনিট ঘাম ঝরালে যতটা উপকার পাওয়া যায়, তার কিছু কম উপকার পাওয়া যায় সিঁড়ি ব্যবহার করলে।

ওজন কমতে থাকেঃ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত সিঁড়ি ভাঙার অভ্যাস করলে শারীরিক সচলচতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে শরীরে জমতে থাকা অতিরিক্ত ক্যালরি ঝরতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন কমার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

হার্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়ঃ সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা করার সময় সারা শরীরে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ বেড়ে যায়। সেই সাথে হার্টের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। যাদের পরিবারে হার্টের রোগের ইতিহাস রয়েছে, তাদের তো এই কারণেই বেশি করে সিঁড়ি ব্যবহারের প্রয়োজন রয়েছে। তবে যারা হার্টের রোগী তাদের সিঁড়ি ব্যবহার করে চিকিৎসকদের নিষেধ রয়েছে।

ট্যাগ: bdnewshour24 সিঁড়ি