banglanewspaper

সান্তাহার (বগুড়া) প্রতিনিধি: সান্তাহারসহ পাশ্ববর্তী এলাকার পোস্ট অফিস গুলোর ডাকবক্সে আগের মত চিঠি আর পড়ে না। এক সময় ডাকযোগে চিঠিপত্র ছিলো যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নতির ছোঁয়ায় এখন দূরবর্তী স্বজনের কাছে জরুরি বা আবেগতাড়িত কোনো চিঠি লেখার প্রচলন প্রায় উঠেই গেছে। তার বদলে মানুষের কাছে প্রিয় হয়ে উঠেছে কুড়িয়ার সার্ভিস মুঠোফোন ও কম্পিউটারে ইন্টারনেটভিত্তিক যোগাযোগ মাধ্যম।

ফলে এখন ডাকবক্সের জৌলুস আর আগের মতো আর নেই। ডাকবক্সে চিঠি ফেলে প্রতিক্ষায় থাকে কবে তার প্রিয়জন সেই চিঠিখানা  পাবেন, এই অপেক্ষায় এখন কেউ আর থাকে না। এই বাস্তবতায় সাড়া দেশের ন্যায়, বগুড়ার সান্তাহার শহর পাশ্ববর্তী এলাকায় দ্রুততম যোগাযোগ মাধ্যম বিস্তার লাভ করায় এবং হাতের মুঠোয় থাকায় প্রত্যন্ত  গ্রামের সাধারণ বধূরা ও চিঠি লেখাকে সময় নষ্ট করা বলে মনে করেন। এভাবে কালের গর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে প্রিয়জনের কাছে হাতে লেখা চিঠি আর ডাকবক্সের কদর। এখন ডাকবক্সে সরকারি চিঠিপত্র ছাড়া আর অন্য কোনো চিঠি পত্র তেমন আসে না।

ব্যবসায়ী মো: শহিদুল ইসলাম জানান, জরুরি ভিত্তিতে চিঠিপত্র আদান প্রদানের ক্ষেত্রে কুড়িয়ার সার্ভিসে ২৪ ঘন্টার মধ্যে এবং ইন্টারনেট ভিত্তিক ই-মেইলের মাধ্যমে এক মিনিটের মধ্যে প্রাপকের হাতে পৌছে যায়। ফলে ডাকবাক্সে আর কেহ চিঠি দিতে চায় না। 

এব্যাপারে সান্তাহার পোস্ট মাস্টার আলী আকবর জানান, বর্তমানে পোস্ট অফিসে পার্সেল, বীমা, পরীক্ষার খাতা, সঞ্চয়পত্রের মতো কাজগুলোই হচ্ছে। আগের দিনের মতো এখন আর ব্যাপকভাবে চিঠিপত্র লেনদেন হয় না তবে এখনো কিছু লোকজন চিঠিপত্র আদান প্রদান করে থাকেন।

ট্যাগ: bdnewshour24 বগুড়া