banglanewspaper

বিশ্বজুড়ে মানুষের হার্টের সমস্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। আর এর জন্য নানামাত্রিক দূষণ, খাদ্যাভ্যাস ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনই অনেকাংশে দায়ি। আবার অনেকের হার্টের সমস্যা আছে দীর্ঘদিন ধরে, কিন্তু তিনি নিজে তা টেরই পাচ্ছে না। 

আপনার হৃদযন্ত্র বা হার্ট কেমন আছে তা জানতে পারেন খুব সহজেই। মাত্র এক মিনিটেই। আর এজন্য কোনও চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে না। খরচও করতে হবে না কোনও পয়সা-কড়ি।

ইউরোপীয় হৃদরোগবিদ্যা সমিতির (ইউরোপিয়ান সোসাইটি অব কার্ডিওলজি) এক প্রতিবেদেনে জানানো হয়েছে, যদি এক মিনিটের মধ্যে কোনও ভবনের সিঁড়ির দুটি তলা ভেঙে উঠতে পারেন, তা হলে নিশ্চিত হতে পারেন আপনার হার্ট ভালো আছে। এবং আপনি নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে আপনার অকাল মৃত্যু হবে না।

আর যারা পারলেন না, তাদের কী হবে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাদের দৈনন্দিন ব্যায়ামের সময় বাড়াতে হবে। ব্যালান্স ডায়েটের সঙ্গে নিয়মিত ব্যায়াম না-করলে, অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়বে।

ওই প্রতিবেদেনটিতে বলা হয়েছে, যাদের হার্টের সমস্যা আছে কিংবা যারা হার্টকে নিরাপদ রাখতে চান তাদের সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট হালকা ব্যায়াম এবং ৭৫ মিনিট অতিরিক্ত ঘাম ঝরাতে হবে। তাহলেই রক্ত সঞ্চালনের সঙ্গে শরীরের যন্ত্রপাতি ঠিক থাকবে। 

আর তাতে করে শুধু যে হার্টই ভালো থাকবে তা নয়- ঝুঁকি কমবে অন্যান্য অসুখেরও। এমনকি মরণঘাতি ক্যান্সারেরও। 

এছাড়াও প্রতিদিন সিঁড়ি দিয়ে উঠানামায় যেসব উপকারিতা:
•    ক্যালোরি খরচ হয় 
•    খারাপ কোলেস্টরেল দূর হয়, ফ্যাট ও ওজন কমে 
•    হার্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় 
•    হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি কমে 
•    সিঁড়ি দিয়ে ওঠা বা নামার সময় আমাদের মস্তিষ্কের "ফিল গুড" হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। 
•    উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে
•    ফলে স্বাভাবিকভাবেই মন খারাপ ও মানসিক চাপ দূর হয়
•    সিঁড়ি দিয়ে ওঠা নাম করলে পায়ের হাড় মজবুত হয়
•    জিমে গিয়ে ৩০ মিনিট ঘাম ঝরালে যতটা উপকার পাওয়া যায় 
•    তার অর্ধেক সময় সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা করলে একই ফল পেতে পারি 
•    ওঠার সময় একসঙ্গে দু’টি সিঁড়িতে ভাঙলে শরীরে রক্তের সরবরাহ বেড়ে যায়।
•    এতে প্রতিটি পেশীর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

ট্যাগ: bdnewshour24 হার্ট