banglanewspaper

শিশু জন্মের পর সে ছেলে না কি মেয়ে এসব বিষয়ে দ্বিধা তৈরি হলে, যৌনাঙ্গ যেরকম হওয়ার কথা সেরকম না হলে সাধারণত তাকে লিঙ্গ প্রতিবন্ধী বলা হয়। সময়মতো চিকিৎসার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা যায়।

লিঙ্গ প্রতিবন্ধীদের চিকিৎসার বিষয়ে কথা বলেছেন ডা. নজরুল ইসলাম আকাশ। বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু সার্জারি বিভাগের পরামর্শক হিসেবে কর্মরত।

প্রশ্ন : ট্রান্সজেন্ডার, লিঙ্গ প্রতিবন্ধীদের চিকিৎসা করে যেই লিঙ্গের অধিকারী হতে চায়, সেই লিঙ্গের কি হতে পারে?

উত্তর : প্রথমে আপনি একটি শব্দ ব্যবহার করেছেন ট্রান্সজেন্ডার। এই বিষয়টি আবার একটি ভিন্ন বিষয়। দেখা যায়, অনেকে ইচ্ছে করে পাল্টাতে চায়। আমরা সেই বিষয়ে যেতে চাচ্ছি না।

লিঙ্গ প্রতিবন্ধী হিসেবে আমাদের কাছে যারা আসে, তাদের যদি আমরা ধাপে ধাপে চিকিৎসা দিতে পারি,  তাহলে সে সমাজে ছেলে অথবা মেয়ে হিসেবে বড় হবে। সমাজে যে মানুষের কাছে হাসির পাত্র হবে না। সামাজিকভাবে সে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে। কখনো কখনো সে বাচ্চা জন্ম দিতে পারবে।

সেই ক্ষেত্রে কী করতে হবে? একটি বাচ্চাকে যখন লিঙ্গ প্রতিবন্ধী মনে হচ্ছে, তখন আমরা তার সেক্স নির্ধারণ করব, আমরা সঙ্গে সঙ্গে ক্যারিওটাইপ করব। এর সঙ্গে সঙ্গে দেখব, তার ভেতরের অঙ্গগুলো কী ধরনের। দেখা গেল, তার মনে হচ্ছে মেয়েদের মতো। কিন্তু আবার মেয়েদের মতোও না। ছেলেদের মতোও নয়। তখন আমরা ক্যারিওটাইপ করে যদি দেখি, যে সে ছেলে, তাহলে আমরা তাকে ছেলের দিকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করব। অর্থাৎ ধাপে ধাপে স্টেসটোসটেরন যদি তার কম থাকে বা আধিক্য থাকে, তাহলে স্টেসটোসটেরন দেব, লিঙ্গ বড় হবে। তখন আমরা ঠিক করে দেব, ইরেসথ্রোপ্লাস্টি করে দেব।

আবার যদি দেখা যায়, শিশুটি মেয়ে, কিন্তু তার জননাঙ্গ বড়, কেন বড় সেই কারণটা খুঁজে সেই অনুযায়ী হরমোনটা বাড়াব বা কমাব।

আরো কিছু গঠনমূলক অস্বাভাবিকতা থাকলে আমরা সেটিকে ঠিক করব। ঠিক করলে সে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে।     

ট্যাগ: bdnewshour24 লিঙ্গ প্রতিবন্ধী