banglanewspaper

সর্বশেষ পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা গিয়েছিল ২০১৮ সালের ২৭ জুলাই। এবার পৃথিবীর মানুষের আরও একবার দেখলো কুসুম কোমল লাল আভার চাঁদ। মহাবিশ্বের অমোঘ নিয়মে সোমবার (২১ জানুয়ারি) আকাশে ভেসেছে লাল চাঁদ বা 'সুপার ব্লাড উলফ মুন'। 

এদিন বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৩৬ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে পূর্ণগ্রাসে দৃশ্যমান হয়েছে চাঁদ। তবে বাংলাদেশ বা এশিয়ার কোনও দেশ থেকে এ দৃশ্য দেখা যায়নি। 

চন্দ্রগ্রহণটি শেষ হয়েছে দুপুর ১টা ৪৮ মিনিটে। আর পুরোপুরিভাবে চন্দ্রগ্রহণ হয়েছে ১১টা ১২ মিনিট ১৬ সেকেন্ডে। 

এশিয়ায় দেখা না গেলেও উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকায় পুরোপুরিভাবে এবং পশ্চিম ইউরোপ ও উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকার কিছু স্থানে আংশিকভাবে দেখা গেছে 'সুপার ব্লাড উলফ মুন'।

জ্যোতির্বিজ্ঞানের আগ্রযাত্রায় আমরা সবাই জানি যে, চাঁদের নিজস্ব কোনও আলো নেই। সূর্যের আলোতেই রাতের আকাশ আলোকিত করে চাঁদ। আর এই চাঁদ কখনও উদিত হয় না। অনবরত ঘুরতে থাকায় অবস্থান পরিবর্তনের কারণে সূর্য আড়াল হলেই চাঁদ দেখা যায়। 

চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় থাকলে এবং চাঁদের ওপর পৃথিবীর ছায়া পড়লে চন্দ্রগ্রহণ হয়। এ সময় সূর্যরশ্মি ছড়িয়ে পড়ে এবং পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রতিসরিত হয়ে চাঁদের ওপর গিয়ে পড়ে বলে চাঁদকে রক্তিম লাগে।

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণাকেন্দ্র নাসার তথ্যমতে, চাঁদ নিজের কক্ষপথে আবর্তনের যে পর্যায়ে পৃথিবীর খুব কাছে চলে আসে, তখন সুপারমুন দেখা দেয়। এ সময় পৃথিবী থেকে চাঁদকে ১৪ শতাংশ বড় দেখায়। এর উজ্জ্বলতাও বেড়ে যায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত। 

২০২১ সালের ২৬ জুন আবারও দেখা যাবে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ বা 'সুপার ব্লাড উলফ মুন'। 

ট্যাগ: bdnewshour24 চাঁদ