banglanewspaper

প্রতিনিধি: ২০০১ সালে জামাত-বিএনপি জোট সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের হত্যা, লুট, ধর্ষণের মাধ্যমে দেশকে শ্মশানে পরিণত করে।

অধিকাংশ কেন্দ্রীয় নেতা নিজের জীবন বাঁচাতে তখন আত্মগোপনে, সেই দুঃসময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে যে কয়জন কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা দেশরত্ন শেখ হাসিনার ভ্যানগার্ড হয়ে তার সরাসরি নির্দেশনা বাস্তবায়নে রাজপথের লড়াই সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন তার মধ্যে অন্যতম আমিনুল ইসলাম আমিন অন্যতম।

নেত্রীর ভ্যানগার্ড হয়ে সেই দুঃসময়ের তার রাজপথের আন্দোলনের সক্রিয়তা বিএনপি-জামাতিদের নজরে আসে এবং তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ চালায়। মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সেই আক্রমণে তিনি প্রাণে বেচে যান কিন্তু দীর্ঘদিন হাসপাতালে থেকে চিকিৎসা নিতে হয়। তৎকালীন সময়ে শেখ হাসিনা পরম মমতায় আমিন ভাইয়ের চিকিৎসার সকল দায়িত্বভার গ্রহণ করেন এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগকে নির্দেশনা দেন জামাত-বিএনপির এই নির্মম ও ন্যক্কারজনক হামলার বিচারের দাবিতে পোস্টারিং সহ নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যেতে।

নেত্রীর নির্দেশে সেদিন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সারা বাংলাদেশে পোস্টারিংসহ নানা কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল। দুঃসময়ের ত্যাগী, নিবেদিত আওয়ামী অন্তঃপ্রান আমিন ভাইকে কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাচনে দলীয়ভাবে মূল্যায়ন এখন সময়ের দাবী।

রাজপথের আমিন ভাইকে আমরা কাশিয়ানী উপজেলাবাসী নৌকার কাণ্ডারি হিসাবে দেখতে চাই।

ট্যাগ: bdnewshour24 ছাত্রলীগ নেতা