banglanewspaper

জামিন বাতিল হওয়া নৌপরিবহন অধিদপ্তরের বরখাস্ত প্রধান প্রকৌশলী এস এম নাজমুল হক আত্মসমর্পণ করলে তার জামিনের আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

ঘুষের পাঁচ লাখ টাকাসহ গ্রেপ্তার এই আসামির সোমবার ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ শেখ গোলাম মাহবুব কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন। এদিনই নাজমুল হক আত্মসমর্পণ করে জামিনের প্রার্থনা করেছিলেন।

গত ২৩ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ এ আসামি আদালতে হাজির না হওয়ায় তার জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। একইদিন আদালত ওই আসামির বিরুদ্ধে দাখিল হওয়া অভিযোগপত্র আমলে নেয়।

জামিন বাতিল করা আদালত গত বছর ১৩ আগস্ট এ আসামির জামিন মঞ্জুর করলে তিনি কারামুক্ত হয়। পরে দুদক জামিন আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে জামিন বাতিলের আবেদন করেন। গত ১৫ জানুয়ারি ওই আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্ট এ আসামির জামিন বাতিল করে এক সপ্তাহের মধ্যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়।

মামলাটিতে গত বছর ১৮ অক্টোবর দুদকের সহকারী পরিচালক আবদুল ওয়াদুদ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়।

২০১৮ সালের ১২ এপ্রিল এ আসামিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সেগুন রেস্তোরাঁ থেকে ঘুষের পাঁচ লাখ টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে দুদকের পরিচালক নাসিম আনোয়ারের নেতৃত্বাধীন একটি দল। এরপর গত ১৯ এপ্রিল এ আসামির এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।

আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, মেসার্স সৈয়দ শিপিং লাইনসের এমভি প্রিন্স অব সোহাগ নামীয় যাত্রীবাহী নৌযানের রিসিভ নকশা অনুমোদন এবং নতুন নৌযানের নামকরণের অনাপত্তিপত্রের জন্য নাজমুল হক ১৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনকে জানানো হলে সংস্থার ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক নাসিম আনোয়ারে নেতৃত্বে ফাঁদ মামলা পরিচালনার অনুমতি দেয়। এর অংশ হিসেবে গত ১২ এপ্রিল বিকেল পৌনে ছয়টায় ঘুষের টাকা গ্রহণের সময় আটক হন নাজমুল।

এরপর রাজধানীর রমনা মডেল থানায় দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এর সহকারী পরিচালক আবদুল ওয়াদুদ বাদী হয়ে এ বিষয়ে মামলা করেন।

ট্যাগ: ঘুষ নৌ প্রকৌশলী