banglanewspaper

এম. ডি. ইউসুফ, স্বরূপকাঠী (পিরোজপুর): প্রায় বিশ বছর পার হয়ে গেলেও বন্ধ হয়ে আছে পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সন্ধ্যা নদীর একমাত্র ফেরিচলাচল। ফলে ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারের মাধ্যামে পারাপার করছে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের তিন লক্ষাধিক মানুষ।

স্থবির হয়ে পড়েছে উপজেলার পৌরসভা ও বিসিক শিল্পনগরীর ব্যবসা বাণিজ্যসহ বিভিন্ন কার্যক্রম। তবে জেলা প্রশাসনের দাবি, কাঙ্খিত যাত্রী না থাকায় ফেরি চলাচল বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন তারা। নদী বেষ্টিত এ উপজেলার পশ্চিম পাড়ে রয়েছে ০৬ টি ইউনিয়ন আর পূর্ব পাড়ে ৪টি ইউনিয়ন যা সন্ধ্যা নদী দিখন্ডিত করেছে। তাই ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন পারাপার হচ্ছে পিরোজপুরে সন্ধ্যা নদীর হাজার হাজার যাত্রী।

এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীদের কাছে জানা যায়, কোন উপায় না থাকায় ঝুঁকি থাকার পরও এপার থেকে ওপারে যেতে হচ্ছে স্কুল কলেজের হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের। এ এলাকার মানুষের নিরাপদ ও উন্নত যোগাযোগ ব্যাবস্থার কথা চিন্তা করে ১৯৮৭ সনে ফেরিচলাচলের ব্যবস্থা করেছিল জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগ (সওজ)। কিন্তু উদ্ধোধনের ১৫ বছরের মাথায় ২০০০ সনে যাত্রী সংকটের অযুহাতে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় ফেরিটি। এরপর ২০ বছর পেরিয়ে গেলেও আজও চালু হয়নি জেলা শহরের সাথে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম সন্ধ্যা নদীর ফেরি।

পিরোজপুর জেলা প্রশাসক আবু আলী সাজ্জাদ হোসেন জানান, যাত্রী ও এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে আগামী কয়েক মাসের মধ্য এ রুটে ফেরি চালুর কথা। আর এলাকাবাসীর চাওয়া বিলম্ব না করে শীঘ্রই যেন ফেরিটি চালু করা হয়।

ট্যাগ: bdnewshour24 স্বরূপকাঠী