banglanewspaper

বিয়ের অনুষ্ঠানে বিচারকের মোবাইল চুরি করায় আবুল কাশেম নামের এক চোরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নগরের একটি কমিটি সেন্টারে বিয়ের অনুষ্ঠানে সাধারণ ব্যক্তি ভেবে বিচারকের পকেট থেকে কৌশলে মোবাইলটি ভাগিয়ে নেয় আবুল কাশেম।

বিষয়টি নগর পুলিশকে জানানোর পর দীর্ঘ প্রচেষ্টায় ধরা হয় আবুল কাশেমকে। উদ্ধার করা হয় চুরি যাওয়া সেই মোবাইল ফোনও।

এরপর মোবাইল চুরির ঘটনা বর্ণনা দিয়ে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে গ্রেফতার আবুল কাশেম। আদালতকে জানিয়েছেন তাদের সিন্ডিকেটের অপর সদস্যদের পরিচয়। এরপর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

ঘটনাটি ৩ জানুয়ারি নগরের দামপাড়ার স্কয়ার কমিউনিটি সেন্টারের। পুলিশ জানানোর পর দীর্ঘ প্রচেষ্টায় ১২ ফেব্রয়ারি মঙ্গলবার বিকেলে মোবাইলসহ আবুল কাশেমকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর চুরির ঘটনা অকপটে স্বীকার আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) কাজী শাহাবুদ্দিন আহমেদ এ খবর নিশ্চিত করে বলেন, গত ৪ জানুয়ারি একটি বিয়ের দাওয়াতে যান চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম সরোয়ার জাহান। সেখানে বিচারকের পকেট থেকে মোবাইল চুরি হয়ে যায়। পরে দীর্ঘ প্রচেষ্টা আর প্রযুক্তির সাহায্যে চোরদের একজন আবুল কাশেমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মো. আল ইমরান খানের আদালত সে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গ্রেফতার আবুল কাশেম চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানাধীন ঝাউতলার নয়নের মা’র কলোনিতে বসবাস করেন।

জবানবন্দিতে আবুল কাশেম আদালতকে বলেন, গত ৩ জানুয়ারি স্কয়ার কমিউনিটি সেন্টারে চুরির উদ্দেশ্যে একটি সিন্ডিকেট অবস্থান নেয়। সেখানে ভালো পোশাক করা ও স্বাস্থ্যবান একজন লোককে টার্গেট করে তারা। সুযোগ বুঝে দুপুর আড়াইটা থেকে ৩টার মধ্যে ওই ব্যক্তির পকেট থেকে শাওমি মোবাইল নিয়ে সটকে পড়েন আবুল কাশেম।

এরপর নগরের স্টেশন রোডে পুরাতন রেলস্টেশন এলাকায় গিয়ে সাড়ে ৩ হাজার টাকায় মোবাইলটি বিক্রি করে দেন। এ টাকায় এক হাজার টাকা খরচ করে একটি প্যান্ট, দুটি সোয়েটার, একটি গেঞ্জি এবং এক জোড়া স্যান্ডেল কেনেন আবুল কাশেম। অবশিষ্ট টাকা মাকে দিয়েছেন।

এরআগেও পুলিশের হাতে ধরা পড়ে কয়েকদিন কারাগারে ছিলেন বলেও আদালতকে জানিয়েছেন আবুল কাশেম।

ট্যাগ: bdnewshour24 বিচারক মোবাইল চুরি