banglanewspaper

চলমান উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দেশের সকল রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ না করা হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। তবে নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক হবে বলে আশা করেন তিনি।

রবিবার (১৭ ফেব্রয়ারি) সকালে আগারগাঁওস্থ নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে  ইসির কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ (টিওটি) শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ইটিআইয়ের মহাপরিচালক মোস্তফা ফারুকসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘অনেক বড় রাজনৈতিক দলই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেবে না, এটি হতাশাজনক। তবু আমরা মনে করি নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক হবে। কর্মকর্তাদের কারণে নির্বাচন ব্যাহত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

প্রশিক্ষকদের উদ্দেশ্যে সিইসি বলেন, ‘নির্বাচনে আপনাদের সবাইকে পক্ষপাতমুক্ত আচরণ করতে হবে। কেউ কোনো ব্যক্তি, দল, প্রার্থীর প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করলে ইসি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর হবে। তদন্তে দোষী প্রমাণ হলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।’

নূরুল হুদা বলেন, ‘আপনাদের কোনো দল নেই, মত নেই, আপনারা প্রজাতন্ত্রের কমর্চারী। সংবিধান, নির্বাচনী আইন ও বিধির বাইরে আর আপনাদের কারো কাছে দায়বদ্ধতা নেই।’

ভোটের দিন পোলিং এজেন্টদের নিরাপত্তা বিধানে সবাইকে যত্নবান হওয়ার পরামর্শ দিয়ে সিইসি বলেন, ‘ভোট কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে আপনাদের সচেষ্ট থাকতে হবে। ভোটের দিন অনেক এজেন্ট প্রার্থীর  অবস্থা ভালো না দেখলে কেন্দ্র ছেড়ে যান। অনেক দুর্বল প্রার্থী আবার এজেন্টই দিতে পারেন না। এমন বাস্তবতায় ভোট শেষে অনেকে তাদের এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ তোলেন, যা অনেকাংশেই সত্য নয়। ফলে নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত সকলকে পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্রে অবস্থান, তাদের নিরাপত্তা বিধান ও ভোট শেষে এজেন্টদের হাতে ফলাফলের একটি করে শিট ধরিয়ে দেয়ার উদ্যোগ নিতে হবে।’

ট্যাগ: bdnewshour24 সিইসি