banglanewspaper

টেকনাফে শালবাগান আনসার ক্যাম্পে হামলা চালিয়ে আনসার কমান্ডারকে হত্যাকারী ও অস্ত্র লুটের ঘটনার মূল নায়ক শীর্ষ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নুরুল আলম র‌্যাবের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে।

নুরুল আলম মিয়ানমারের আকিয়াব জেলার মংডু থানার বাসিন্দা। সে দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিল বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি।

র‌্যাব জানিয়েছে, শুক্রবার ভোরে টেকনাফের দমদমিয়া এলাকায় বন্দুকযুদ্ধে শীর্ষ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নুরুল আলম নিহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে ২টি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

র‌্যাব আরো জানিয়েছে, শীর্ষ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নুরুল আলম ২০১৭ সালের ১ মার্চ আনসার ক্যাম্পের লুণ্ঠিত ৬টি ম্যাশিনগান ও রাইফেলসহ র‌্যাবের হাতে আটক হয়েছিল। পরে সে জামিনে বের হয়ে এসে টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হত্যা, অপহরণ, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপকর্ম করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে অনেক মামলা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১৩ মে গভীর রাতে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়ার শালবাগান এলাকার নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা শালবাগান আনসার ক্যাম্পে সশস্ত্র হামলা চালায় এক দল মুখোশধারী ও অস্ত্রধারী। ওই ঘটনায় অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তদের হাতে নিহত হন আনসার কমান্ডার (পিসি) মো. আলী হোসেন। ওই সময় তারা ১১টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৬৭০টি গুলি লুট করে নিয়ে যায়।

ওই ঘটনার পর দিন অজ্ঞাত পরিচয় ৩০-৩৫ জনের বিরুদ্ধে আনসার ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার মো. আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় মামলা দায়ের করেন। সেই সময় অভিযুক্ত বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব ও পুলিশ। তবে লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার তখনও উদ্ধার হয়নি। পরে র‌্যাব এই অস্ত্র উদ্ধারের দায়িত্ব নেয়।

২০১৭ সালের ১০ জানুয়ারি র‌্যাব আনসার ক্যাম্পের লুণ্ঠিত একটি এসএমজি, ৬টি ম্যাগজিন, ১টি চাইনিজ রাইফেল ও ২টি এম-টু চাইনিজ রাইফেল উদ্ধার ও তিনজন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে।

ট্যাগ: bdnewshour24 শীর্ষ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী