banglanewspaper

কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে দলটির নেতারা রাজনীতি করছেন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘ওনারা একজন সুস্থ মানুষকে অসুস্থ বানিয়ে ফেলছে। ওনার (খালেদা জিয়া) যে পায়ে ব্যথা, সেটা নিয়ে তিনি দুইবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। পায়ের এই সমস্যা নিয়ে তিনি বিরোধীদলীয় নেত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন। এটা তো তার কোনও নতুন শারীরিক সমস্যা নয়, এটা পুরাতন সমস্যা। তারা বড় করে দেখিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।’

শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় কারাদণ্ডের পর খালেদা জিয়াকে নেওয়া হয় বকশিবাজারের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে। কারাগারে থাকাকালীয় জিয়া চ্যারিটেবল মামলাতেও সাজা হয় বিএনপি প্রধানের। এছাড়া তার বিরুদ্ধে চলমান আছে আরও বেশ কিছু মামলা।

কারাবন্দি ৭৪ বছর বয়সী খালেদার জিয়ার স্বাস্থ্যের ‘চরম অবনতি’হয়েছে দাবি করে উদ্বোগ জানিয়ে আসছেন বিএনপি নেতারা। তাদের অভিযোগ, কারাগারে তাদের নেত্রীর সুচিকিৎসা হচ্ছে না। দলের প্রধানের চিকিৎসার দাবিতে সম্প্রতি বিএনপির কয়েকজন নেতা সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে মন্ত্রী জানিয়েছিলেন খুব শিগগিরই খালেদা জিয়াকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে নেওয়া হবে। কিন্তু বিএনপি তাদের দলের প্রধানের চিকিৎসার জন্য বেসরকারি ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়ার দাবি জানায়।

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি নেতারা কয়েকদিন পর পর বলেন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা দরকার। আবার বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসা দিলে হবে না। আমাদের দলের সাধারণ সম্পাদক অসুস্থ হওয়ার পর তাকেও বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সিঙ্গাপুর থেকে আগত চিকিৎসকদল এবং ভারতের বিখ্যাত চিকিৎসক দেবী শেঠিও বলেছেন তাকে বিশ্বমানের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আর ওনারা বলেন এখানে বিশ্বমানের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব না। আসলে ওনারা প্রকৃতপক্ষে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে রাজনীতি করেন।’

ট্যাগ: খালেদা