banglanewspaper

শেষ পর্যন্ত পাপারাৎজিদের উপরে ক্ষেপেই গেলেন সাইফ আলি খান। সাধারণত তৈমুরকে নিয়ে মিডিয়ার লাফালাফি দেখে তিনি খুব একটা মন্তব্য করেন না। কিন্তু আইএএনএসের রিপোর্টে প্রকাশিত, তৈমুর এবং কারিনাকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন সাইফ। তখনই বিমানবন্দরে পাপারাৎজি তাদের দেখতে পেয়ে ক্রমাগত ছবি তুলতে থাকে। 

তৈমুরের দিকে তাক করে ক্রমাগত ক্যামেরার ফ্ল্যাশের ঝলকানিতে বিরক্ত হয়ে সাইফ তাদের বলেন, ‘‘এ বার থামো, বাচ্চা তো অন্ধ হয়ে যাবে।'' তৈমুরের অবশ্য পুরো ঘটনায় বিশেষ হেলদোল ছিল না। সে দিব্যি বাবার কাঁধের উপর চড়ে বসেছিল। 

এবং ফটোগ্রাফারদের মাঝখান দিয়ে যাওয়ার সময় সে তাদের দিকে তাকিয়ে হাতও নেড়েছিল। নীল রঙের শার্ট আর শর্ট প্যান্টের সঙ্গে লাল টুপি পড়ে দু'বছরের তৈমুরকে বেশ আদুরে লাগছিলো।

যখন পাপারাৎজি সাইফ এবং কারিনাকে পোজ দিতে বলে, তখন সাইফ বলেন, ‘‘আপনাদের ছবি তুলতে হলে এমনি তুলে নিন, এই পোজ দিতে খুব আজব লাগে।''

তৈমুর আলি খানকে পাপারাৎজি দেখলেই ছবি তোলার জন্য একেবারে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এখনই তৈমুর একজন সেলিব্রিটি। ইতিমধ্যেই তার নামে সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক ফ্যান ক্লাব তৈরি হয়ে গিয়েছে। মা-বাবার সঙ্গে মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন ফটোশুট এবং শুটিংয়ে উপস্থিত হয়ে যায় তৈমুর। দিন কয়েক আগে কারিনা এবং সাইফের সঙ্গে জিমেও গিয়েছিল ছোটে নবাব।

ট্যাগ: bdnewshour24 তৈমুর