banglanewspaper

তুলসী একটি মহা ঔষধি গাছ। তুলসী অর্থ যার তুলনা নেই। তুলসীপাতা আমাদের ও ভারতীয়দের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি গাছ হিসেবে পরিচিত। এই পাতার মধ্যে আছে সুগন্ধিযুক্ত, কটু তিক্তরস, রুচিকর গুনাগুন। এটি পূজার কাজে ব্যবহার হয়। এছাড়াও সর্দি, কাশি, কৃমি ও বায়ুনাশক এবং মুত্রকর, হজমকারক ও এন্টিসেপটিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে বিশেষ করে কফের প্রাধান্যে যে সব রোগ সৃষ্টি হয় সে ক্ষেত্রে তুলসী বেশ ফলদায়ক।

গবেষণায় দেখা গেছে তুলসীগাছ একমাত্র উদ্ভিদ যা দিন রাত চব্বিশ ঘণ্টা অক্সিজেন সরবরাহ করে বায়ু বিশুদ্ধ রাখে যেখানে অন্য যেকোন গাছ রাত্রিতে কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ করে । তাই রাতের বেলাতে তুলসীতলায় শয়ন করাও ব্যক্তির জন্য উপকারী। এর গন্ধবাহী বায়ু যে দিকেই অর্থাৎ দশদিকে যাক না কেন সবদিকে সে বায়ুকে দুষণমুক্ত করে। এছাড়া তুলসী গাছ লাগালে তা মশা কীটপতঙ্গ ও সাপ থেকে দূরে রাখে। আর এইজন্য তুলসীকে বলা হয় ভেষজের রানী। নিচে এর অসাধারণ গুনের কথা তুলে ধরা হলো।

ক্যান্সার নিরাময়ে: তুলসীর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি কারসেনোজেনিক উপাদান ব্রেস্ট ক্যান্সার ও ওরাল ক্যান্সার এর বৃদ্ধিকে বন্ধ করতে পারে। কারণ এর উপাদানগুলো টিউমারের মধ্যে রক্ত চলাচল বন্ধ করে দেয়। উপকার পেতে প্রতিদিন তুলসীর রস খান।

দাঁতের রোগে: দাঁতের সুরক্ষায় তুলসীপাতা শুকিয়ে গুঁড়া করে দাঁত মাজলে দাঁত ভালো থাকে। এ ছাড়া সরিষার তেলের সাথে তুলসীপাতার গুঁড়া মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে দাঁত মাজলেও দাঁত শক্ত থাকে। মুখের দুর্গন্ধ রোধে তুলসীপাতার মাজন ভালো ফল দিয়ে থাকে।

ডায়াবেটিস রোগে: তুলসী পাতায় প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও এসেনশিয়াল অয়েল আছে যা ইউজেনল, মিথাইল ইউজেনল ও ক্যারিওফাইলিন উৎপন্ন করে। এই উপাদান গুলো অগ্নাশয়ের বিটা সেলকে কাজ করতে সাহায্য করে( বিটা সেল ইনসুলিন জমা রাখে ও নিঃসৃত করে)। যার ফলে ইনসুলিন এর সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি পায়। এতে ব্লাড সুগার কমে এবং ডায়াবেটিস ভালো হয়।

কিডনি পাথর দূর করতে: রক্তের ইউরিক এসিড-এর লেভেলকে কমাতে সাহায্য করে কিডনিকে পরিষ্কার করে তুলসী পাতা। তুলসীর অ্যাসেটিক এসিড এবং এসেনশিয়াল অয়েল এর উপাদান গুলো কিডনির পাথর ভাঙতে সাহায্য করে ও ব্যাথা কমায়। কিডনির পাথর দূর করার জন্য প্রতিদিন তুলসীপাতার রসের সাথে মধু মিশিয়ে খেতে হবে। এভাবে নিয়মিত ৬ মাস খেলে কিডনি পাথর দূর হবে।

নিরাময় ক্ষমতা: তুলসী পাতার অনেক ঔষধি গুনাগুণ আছে। তুলসি পাতা নার্ভ টনিক ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি কারী। এটা শ্বাস নালী থেকে সর্দি–কাশী দূর করে। তুলসীর ক্ষত সারানোর ক্ষমতা আছে। তুলসী পাকস্থলীর শক্তি বৃদ্ধি করে ও অনেক বেশি ঘাম নিঃসৃত হতে সাহায্য করে।

শিশু রোগে: তুলসী পাতার রস শিশুদের জন্য বেশ উপকারী। বিশেষত শিশুদের ঠাণ্ডা লাগা, জ্বর হওয়া, কাশি লাগা, ডায়রিয়া ও বমির জন্য তুলসীপাতার রস ভালো কাজ করে। জলবসন্তের পুঁজ শুকাতেও তুলসীপাতা ব্যবহৃত হয়।

মানসিক চাপ কমায়: মানসিক চাপে অ্যান্টিস্ট্রেস এজেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, মানসিক অবসাদ প্রশমনে এমনকি প্রতিরোধে তুলসী চমৎকার কাজ করে। কোনো সুস্থ ব্যক্তি যদি প্রতিদিন অন্তত ১২টি তুলসীপাতা দিনে দু’বার নিয়মিত চিবাতে পারেন তাহলে সেই ব্যক্তি কখনো মানসিক অবসাদে আক্রান্ত হবেন না বলে গবেষকরা জানিয়েছেন।

মুখের ঘা দূর করতে: তুলসী পাতা মুখের আলসার ভালো করতে পারে। মুখের ঘা শুকাতেও তুলসীপাতা ভালো কাজ করে। মুখের ইনফেকশন দূর করতে তুলসীপাতাঅতুলনীয়। প্রতিদিন কিছু পাতা (দিনে দুবার) নিয়মিত চিবালে মুখের সংক্রমণ রোধ করা যেতে পারে।

মাথা ব্যথা সারাতে: এটি মাথা ব্যাথা ভালো করতে পারে। এর জন্য চন্দনের পেস্ট এর সাথে তুলসী পাতা বাটা মিশিয়ে কপালে লাগালে মাথাব্যথা ভালো হবে।

রক্ত পরিস্কারে: তুলসী পাতা রক্ত পরিষ্কার করে, কোলেস্টেরল কমায় ।

পোকার কামড়ে: পোকায় কামড় দিলে তুলসীর রস ব্যবহার করলে ব্যথা দূর হয়।

ডায়রিয়া রোগে: ডায়রিয়া হলে ১০ থেকে বারোটি পাতা পিষে রস খেয়ে ফেলুন। এতে পায়খানা কমে যাবে।

প্রসাব পরিষ্কারে: তুলসীর বীজ গায়ের চামড়াকে মসৃণ রাখে। বীজ সেবনে প্রস্রাবের মাত্রা বেড়ে থাকে। ফলে প্রসাব বেশি মাত্রায় হয়ে কিডনি পরিস্কার থাকে।

চোখের রোগ: রাতকানা রোগে নিয়মিত তুলসী পাতার রস ড্রপ হিসেবে ব্যবহারে ভালো ফল পাওয়া যায়।

জ্বর সারাতে: তুলসীর জীবাণু নাশক, ছত্রাক নাশক ও ব্যাক্টেরিয়ানাশক ক্ষমতা আছে। তাই এটা জ্বর ভালো করতে পারে। সাধারণ জ্বর থেকে ম্যালেরিয়ার জ্বর পর্যন্ত ভালো করতে পারে তুলসী পাতা।

তুলসী পাতার ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে ফুসফুসীয় সমস্যায়। ব্রঙ্কাইটিস, অ্যাজমা, ইনফ্লুয়েঞ্জা, কাশি এবং ঠাণ্ডাজনিত রোগে তুলসী পাতার রস, মধু ও আদা মিশিয়ে পান করলে উপশম পাওয়া যায়। ইনফ্লুয়েঞ্জা হলে তুলসী পাতার রস,লবণ ও লবঙ্গ মিশিয়ে পান করলে ফল পাওয়া যায়।

প্রসাবে জ্বালাপোড়া: তুলসীর বীজ পানিতে ভিজালে পিচ্ছিল হয়। এই পানিতে চিনি মিশিয়ে শরবতের মত করে খেলে প্রস্রাবজনিত জ্বালা যন্ত্রনায় বিশেষ উপকার হয়।

দাগ দূর করতে: মুখে বসন্তের কাল দাগে তুলসীর রস মাখলে ঐ দাগ মিলিয়ে যায়। হামের পর যে সব শিশুর শরীরে কালো দাগ হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে তুলসী পাতার রস মাখলে গায়ে স্বাভাবিক রং ফিরে আসে।

মুখের গন্ধ সারাতে: মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে দিনে ৪-৫ বার তুলসী পাতা চেবান, ভালো ফল পাবেন।

সৌন্দর্য বাড়াতে: ত্বকের চমক বাড়ানোর জন্য, এছাড়াও ত্বকের বলীরেখা এবং ব্রোন দূর করার জন্য তুলসী পাতা পিষে মুখে লাগান ৷

রক্ত শোধনে: কোন কারনে রক্ত দূষিত হলে কাল তুলসিপাতার রস কিছুদিন খেলে উপকার পাওয়া যায়। শ্লেষ্মার জন্য নাক বন্ধ হয়ে কোনো গন্ধ পাওয়া না গেলে সে সময় শুষ্ক পাতা চূর্ণের নস্যি নিলে সেরে যায়। পাতাচূর্ণ দুই আঙ্গুলের চিমটি দিয়ে ধরে নাক দিয়ে টানতে হয়, সেটাই নস্যি।

শির ঘুর্নন: যদি কখনও বমি কিংবা মাথা ঘোরা শুরু করে, তাহলে তুলসী রসের মধ্যে গোলমরিচ মিশিয়ে খেলে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।

রুচি বাড়াতে: সকালবেলা খালি পেটে তুলসী পাতা চিবিয়ে রস পান করলে খাবার রুচী বাড়ে।

ঘা শুকাতে: ঘা যদি দ্রুত কমাতে চান তাহলে তুলসী পাতা এবং ফিটকিরি একসঙ্গে পিষে ঘা এর স্থানে লাগিয়ে দেন , ঘা কমে যাবে।

শুক্র ঘন করতে: তুলসী মূল শুক্র গাঢ় কারক। তুলসী পাতার ক্বাথ, এলাচ গুঁড়া এবং এক তোলা পরিমাণ মিছরী পান করলে ধাতুপুষ্টি সাধিত হয় যতদিন সম্ভব খাওয়া যায়। এটি অত্যন্ত ইন্দ্রিয় উত্তেজক। প্রতিদিন এক ইঞ্চি পরিমাণ তুলসী গাছের শিকড় পানের সাথে খেলে যৌনদূর্বলতা রোগ সেরে যায়।

চোখের সমস্যা: এজন্য রাতে কয়েকটি তুলসী পাতা পানিতে ভিজিয়ে রেখে ওই পানি দিয়ে সকালে চোখ ধুয়ে ফেলুন।

পুড়ে গেলে: শরীরের কোন অংশ যদি পুড়ে যায় তাহলে তুলসীর রসএবং নারকেলের তেল ফেটিয়ে লাগান, এতে জ্বালাপোড়া কমে যাবে। পোড়া জায়গাটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে এবং পোড়া দাগ ওঠে যাবে।

চর্মরোগে: তুলসী পাতা দূর্বাঘাসের ডগার সংগে বেটে মাখলে চর্ম রোগ ভালো হয়ে যায়।

পেট খারাপ হলে: তুলসীর ১০ টা পাতা সামান্য জিরের সঙ্গে পিষে ৩-৪ বার খান ৷ হাগু একেবারে বন্ধ হয়ে যাবে!!! মানে পায়খানার ওই সমস্যাটা আর কি!

জীবানু নাশক: মানবদেহের যেকোনো ধরনের সংক্রমণ প্রতিরোধে তুলসীর পাতা অনন্য। এতে রয়েছে জীবাণুনাশক ও সংক্রমণ শক্তিনাশক উপাদান।

রূপচর্চায় তুলসী এর গুনাগুন ও ব্যবহার

১. হঠাৎ করেই গালে একটা লাল রঙের পিম্পল ফুলে ফেঁপে উঠেছে? Basil leaves বেটে সাথে একটু চন্দনবাটা বা নিমপাতা বাটা, তাও যদি হাতের কাছে না থাকে, তাহলে একটু গোলাপ জলের সাথে মিশিয়ে লাগিয়ে রাখুন পিম্পলের উপর। খুব তাড়াতাড়ি সেরে যাবে।

২. পিম্পল তো গেলো, কিন্তু যদি পিম্পলের দাগ রেখে যায়, তাহলে? তুলসী (Basil) বাটার সাথে মিশিয়ে নিন একটু বেসন। পেস্ট মত বানিয়ে পুরো মুখে লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। দাগ তো চলেই যাবে, সেই সাথে আন ইভেন স্কিন টোন ও সারিয়ে তুলবে।

৩. মুখে ছোপ ছোপ দাগ পরে গেছে? কোন চিন্তা নেই। Basil leaves বাটার সাথে একটা ডিমের সাদা অংশ ভালো ভাবে মিশিয়ে পুরো মুখে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। এরপরে ঘষে ঘষে তুলে ফেলুন। ছোপ ছোপ দাগ দূর হবে, পাশাপাশি মুখে পোরস বড় হয়ে থাকলে সেগুলোকেও ছোট করতে সাহায্য করবে এই প্যাক।

৪. আপার লিপ বা থ্রেডিং এর পরে অনেকের স্কিন জ্বালা করে, তুলসী (Basil) বাটা মুখে লাগিয়ে নিলে জ্বালাপোড়া কমাবে, এবং লালচে ভাব থাকলে সেটাও কমে যাবে।

৫. চুলের যত্নেও তুলসীর রয়েছে নানাবিধ ব্যবহার। চুলে তেল দেয়ার আগে তেলে তুলসীর রস মিশিয়ে নিন। চুলে লাগিয়ে রাখলে চুলের খুশকি, খুশকির কারণে হওয়া চুলকানি, চুল পড়া এবং ড্রাই স্কাল্প এর সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন সহজেই। শুকনো তুলসী(Basil )পাতা এবং শুকনো আমলকীর গুঁড়ো সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে, পরদিন সকালে সেই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত এটি করলে চুল পেকে যাওয়া কমাতে পারবেন সহজেই।

৬. ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে লাগবে ১০ টি Basil leaves ও আধা চা চামচ গুঁড়ো দুধ। প্রথমে তুলসী (Basil) পাতা ভালো করে ধুয়ে নিয়ে সামান্য পানি দিয়ে বেটে নিন। এরপরে এরসাথে গুঁড়ো দুধ মিশিয়ে একটা ঘন পেস্ট তৈরি করে নিন। এবার এই প্যাকটি মুখে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দুধের ল্যাকটিক এসিড থাকার কারণে আপনার ত্বক তাৎক্ষনিকভাবেই বেশ উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। সপ্তাহে দু’দিন করে নিয়মিত এই প্যাকটি ব্যবহার করুন। যেকোনো ধরনের ত্বকেই এই ফেস প্যাকটি ব্যবহার করা যাবে।

৭. ব্রণ কমাতে তুলসী (Basil) ফেস প্যাকের জুড়ি নেই। এর জন্য লাগবে ১০-১২ টি Basil leaves , ৮-১০ টি নিমপাতা, আধা চা চামচ চন্দন গুঁড়ো ও গোলাপজল। প্রথমেই তুলসী (Basil) পাতা ও নিমপাতা ভালো করে ধুয়ে নিন। ভালো করে বেটে নিয়ে এতে চন্দন গুঁড়ো মেশান। তারপরে পরিমান মত গোলাপজল মেশান যাতে একটা ঘন পেস্ট মতন প্যাক তৈরি করা যায়। এরপরে এটি পুরো মুখে লাগিয়ে রাখুন বিশ মিনিট। এরপরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে ২ বার ব্যবহার করলে ব্রণের সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে।

৮. শীতে শুষ্ক ত্বক নিয়ে যারা সমস্যায় ভোগেন তারা এই প্যাকটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন। ১০-১২ তুলসী (Basil) পাতা বেটে নিয়ে এর সাথে মেশান পরিমান মত টক দই। এরপরে মুখে লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। এরপরে নরমাল পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের শুষ্ক ভাব অনেকটাই কেটে যাবে।

তুলসি পাতা তৈলাক্ত ত্বকে ব্যবহার করা কেন জরুরি?

তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণের সমস্যা বেশি হয়। ত্বক অতিরিক্ত তেলতেলে হওয়ার কারণে লোমকূপের মুখে ময়লা-জীবাণু আটকে থাকে।

আর মরা কোষ দূর না হওয়ার কারণে ত্বকে ব্লাকহেডসের পরিমাণও বেড়ে যায়। এ ক্ষেত্রে নিয়মিত গরম পানির মধ্যে তুলসি পাতা দিয়ে স্টিম নিলে ত্বকের লোমকূপের মুখ খুলে যাবে।

এর ফলে ত্বকের মরা কোষ ও ব্রণের জীবাণু ধ্বংস হবে। আর এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।

কীভাবে তৈলাক্ত ত্বকে তুলসি পাতা দিয়ে স্টিম দিবেন সে বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ভারতীয় ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের লাইফস্টাইল বিভাগে।

যা যা লাগবে: বড় এক বাটি গরম পানি, কয়েক ফোঁটা টি ট্রি অয়েল, পাঁচ-ছয়টি তুলসি পাতা ও একটি পরিষ্কার তোয়ালে।

যেভাবে ব্যবহার করবেন: প্রথমে গরম পানির মধ্যে টি ট্রি অয়েল ও তুলসি পাতা দিন। এবার একটি তোয়ালে দিয়ে মাথা ঢেকে এই গরম পানির ওপর ১০ থেকে ১৫ মিনিট স্টিম নিন। এবার মুখ তুলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। গরম ভাপের এই পানি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করবে এবং ব্রণের জীবাণু ধ্বংস করবে।

পরামর্শ

১. গরম পানির ভাপ দেওয়ার সময় খেয়াল করবেন পানি যেন বেশি গরম না হয়।

২. স্টিম দেওয়া শেষ হলে কিছুক্ষণ পর এক টুকরা বরফ পুরো মুখে ঘষে নিন।

৩. ভালো ফল পেতে সপ্তাহে অনন্ত তিন-চারবার এভাবে মুখে স্টিম দিন।

ট্যাগ: bdnewshour24 তুলসী