banglanewspaper

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের নাগরপুরে অবৈধ ইটখোলার আগুনে প্রায় ৩ একর জমির বোরো ধান পুড়ে গেছে। এদিকে ঘটনার ৫ দিন পেরিয়ে গেলেও ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা এখন পর্যন্ত ক্ষতিপূরন পায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় সাংবাদিকরা এ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে ওই ইট খোলার তত্বাবধায়ক তেরে আসে এবং সাংবাদিকদের হুমকি ধামকি দেয়। 

ও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার সূত্রে জানা যায়, আইনকে বৃদ্ধা অঙ্গুলি দেখিয়ে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের নলসন্ধা গ্রামের মো. কাদের মোল্লা সিয়াম ব্রিকস নামে ইট খোলা ঘন জনবসতীপূর্ন এলাকায় স্থাপন করে প্রায় ১ বছর যাবৎ ক্ষমতার জোরে ব্যাবসা পরিচালনা করে আসছে। এই বিষাক্ত পরিবেশে সকল প্রানীকূল আজ মৃত্যুর হুমকিতে দাবি এলাকাবাসীর। কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগে থেকে এলাকাবাসী বিভিন্ন দপ্তরে কাদের মোল্লার নামে লিখিত অভিযোগ করা হয়। তবে কাদের মোল্লা স্থানীয় প্রভাবশালী হওয়ায় ভূক্তভোগিরা কোন প্রতিকার পায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার সকালে ইট খোলার চুল্লি খুলে দিলে আগুনের দাবানল বের হয়ে আশ পাশের প্রায় ৩ একর জমির বোরো ধান পুড়ে যায়। এদিকে কৃষকের বহু কষ্টে আবাদ করা সার বছরের খাদ্যের উৎস বোরা ধান পুড়ে যাওয়ায় তারা (কৃষক) দিশেহারা হয়ে পরেছে।

এ খবর পেয়ে স্থানীয় সংবাদকর্মীরা সরেজমিন সিয়াম ব্রিকসে  তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে ওই ব্রিকসের তত্ববধায়ক নিজেকে মালিক বলে দাবি করেন কাদেও মোল্লা, তার কাছে ইটের আকার জানতে চাইলে তিনি সঠিক উত্তর দিতে পারেননি। একপর্যায়ে কাদের মোল্লাসহ তার লোকজন সাংবাদিকদের অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে হাত-পা বেধে সাংবাদিকদের মারধর কারার জন্য তার গুন্ডা ও মুজুরদের হুকুম দেয় এবং সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য হুমকি দেয়।

এ প্রসংঙ্গে জানতে চাইলে সিয়াম ব্রিকসের তত্ববধায়ক কাদের মোল্লা সাংবাদিকদের সাথে অপ্রীতিকর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের যথাযথ ক্ষতিপূরন দেয়া হয়েছে। বৈধ ভাবে ইটখোলা স্থাপন করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

এ দিকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবি অস্বীকার করে ক্ষতিগ্রস্থ জমির মালিক জুরান আলী মোল্লা, নবাব আলী মোল্লা ও সাকিম জানান, তারা এখন পর্যন্ত কোন ক্ষতিপুরন পায়নি।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)  সৈয়দ ফয়েজুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পাই । অভিযোগ পেলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগ: bdnewshour24 নাগরপুর