banglanewspaper

নিজস্ব প্রতিবেদক: পদবঞ্চিতদের তোপের মুখে ঢাকা মেডিকেল গিয়ে ফেরত এলো কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও  সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। তাদের সাথে দেখা দেননি আহত নেতাকর্মীরা। 

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণার পর মধুর ক্যান্টিনে মারধরে আহতদের দেখতে যাওয়ার পর ঢামেকের  জরুরী বিভাগের গেটে এ ঘটনা ঘটে।

সোমবার (১৩ মে) কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী রাত পৌনে এগারটার দিকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরী বিভাগে আহতদের দেখতে গেলে সেখানে আহতদের সঙ্গে থাকা শতাধিক নেতাকর্মীরা বাধা দেয়। প্রায় আধা ঘন্টা বাকবিতণ্ডার পর পিছু হটে শোভন-রাব্বানী।

এ সময় উভয় পক্ষের নেতাকর্মীরা পাল্টাপাল্টি স্লোগান দিতে থাকে। মানবতার কথা বলে বোনদের উপর হামলা কেন, বিচার চাই বিচার চাই; বিবাহিতরা কমিটিতে কেন, মানি না মানবো না; রাজাকার পুত্র কমিটিতে কেন, মানি না মানবো না; সন্ত্রাসীদের কালো হাত, ভেঙ্গে দাও গুড়িয়ে দাও;  বলে পদ বঞ্চিতরা স্লোগান দেয়।

অপর দিকে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের পক্ষের কর্মীরা বিদ্রোহীদের কালো হাত ভেঙ্গে দাও গুড়িয়ে দাও বলে পাল্টা স্লোগান দেয়।
শোভন ও রাব্বানী মেডিকেলের গেটে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের পথ রুদ্ধ করে রোকেয়া হলের সভাপতি ডাকসুর ক্যাফেটেরিয়া বিষয়ক সম্পাদক বিএম লিপি আকতার।

এ সময় বিএম লিপি আকতার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে উদ্দেশ্য করে বলেন, রাজাকার পুত্র, বিবাহিত, অছাত্রদের কমিটিতে রেখেছেন, আমাদের মত ত্যাগীদের কেন মুল্যায়ন করেননি।

এ সময় রাব্বানী বলেন, সামনে মুল্যায়ন করা হবে।

আল আমিন বলেন, যাদের কমিটিতে রেখেছেন তারা কোন বিবেচনায় আমাদের চেয়ে যোগ্য?

শোভন বলেন, সব কিছু বিবেচনা করা হবে। আমরা আহতদের দেখতে আসছি।

এ সময় সাবেক কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাইফুদ্দিন বাবু বলেন, ত্যাগী নেতাদের মারধর করে, কেন সিম্পেথি নেওয়ার জন্য এসেছেন? কোনভাবেই এই নাটক করতে দেওয়া হবে না।

পরে সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও  সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী হাসপাতাল ছাড়তে বাধ্য হন।

ট্যাগ: bdnewshour24 শোভন রাব্বানী ছাত্রলীগ