banglanewspaper

গুলি করে হত্যা করা হয়েছে একটি বাঘকে। এরপর চামড়া বিক্রির জন্য 'ক্রেতা' খুঁজছিল পাচারকারী দলটি। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে 'ক্রেতা' সেজে পাচারকারীদের যোগাযোগ করে বাংলা ও আসামের বনবিভাগের একটি যৌথ দল।

দর ঠিক হয় ১৫ লাখ টাকা। কথা হয়, আসামের শ্রীরামপুরে চামড়া তুলে দেওয়া হবে। সেইমতো পাচারকারীদের নির্ধারিত স্থানে যায় যৌথ দলটি। পাচারকারীরা সেখানে পৌঁছাতেই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে বনবিভাগ। তারা প্রত্যেকেই আসামের বঙ্গাইগাও চিরাং জেলার বাসিন্দা। যদিও তাদের কাছে চামড়া পাওয়া যায়নি। চামড়াটি কোথায় রাখা হয়েছে তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে বনবিভাগ।

জলপাইগুড়িতে এর আগে একাধিকবার বিভিন্ন প্রাণীর চামড়াসহ ধরা পড়েছে পাচারকারীরা। একইভাবে জলপাইগুড়ির বনবিভাগের বেলাকোবা রেঞ্জে খবর আসে, মাসখানেক আগে আসামে একটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারকে গুলি করে মেরেছে চোরাকারবারিরা। ওই রাজ্যেই বাঘটির চামড়া রেখে ক্রেতা খুঁজছিল দুর্বৃত্তরা। ক্রাইম কন্ট্রোল বিওরো, বাংলার বনবিভাগের প্রধান মুখ্য বনপাল ও আসামের বন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হয়।

সেইমতো আজ রবিবার ভোররাত ৩টার দিকে  চোরা কারবারিদের নির্ধারিত স্থানে যায় দুই রাজ্যের বনবিভাগের একটি যৌথ দল। সেখান থেকেই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন ডিম্বেশ্বর রায় (৪৩), বিনানদীপ রায় (৩৬), প্রভাত নার্জারি (৫৬), বিপলোয়ান নার্জারি (৩৪) ও ইশাক নার্জারি (৩২)। বাঘটির চামড়া পাওয়া না গেলেও গ্রেপ্তারদের মোবাইল ফোন থেকে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের চামড়ার ছবি পাওয়া যায়।

বেলাকোবার রেঞ্জার সঞ্জয় দত্ত বলেন, 'বাঘটির সব তথ্য গ্রেপ্তারদের মোবাইলে রয়েছে। বাঘটির দৈর্ঘ্য, হাড়, খুলি ও দাঁত- সব তথ্য ও ছবি রয়েছে। সেগুলো  বিক্রির জন্য বাইরেও তারা যোগাযোগ করছিল। কল রেকর্ডসও হাতে এসেছে। আমরা আসাম প্রশাসনের হাতে তাদেরকে তুলে দিয়েছি।

সূত্র : ইটিভি ভারত 

ট্যাগ: bdnewshour24 বাঘ