banglanewspaper

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: মারণব্যাধি নিরাময়ে অর্থ সহায়তাকারী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ফেটাল ডিজিস রিকভারি ফান্ড’ (এসডিআরএফ) এর নতুন কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সোমবার সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শাহজাহান মন্ডল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কমিটিতে অর্থনীতি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী কানিজ ফাতেমা জ্যোতিকে সভাপতি এবং আইন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের তৌফিক আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। 

কমিটির কার্যনির্বাহী পর্ষদের অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি অনি আতিকুর রহমান, সহ-সভাপতি রুমি নোমান ও শাহেদ হাসান। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোমিনুর রহমান ও সাদিয়া আফরিন খান, কোষাধ্যক্ষ তাইয়েব হোসেন, দপ্তর সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সাইফ, প্রচার সম্পাদক রাশিদুল ইসলাম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শেখ রাইহান উদ্দিন। এছাড়া কমিটিতে সাধারণ সদস্য হিসেবে রয়েছেন মাহফুজ, সবুজ, নাঈম, নাজমুল, আলিফ, জয়, ঊর্মি, রতন, ফাতিমা, মুন্না, ফুয়াদ, নওরোজ ও আরিফ। আগামী ১ বছর এই কমিটির সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।

সংগঠন সূত্রে, গত শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীতে অনুষ্ঠিত সংগঠনের সাধারণ সভায় নতুন কমিটি গঠন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জেলার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রিমন আহমেদ এবং সহকারী জজ তরিকুল ইসলাম, ইবির ভূমি আইন ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক শাহিদা আক্তার আশা প্রমুখ।

সংগঠনের নতুন সভাপতি কানিজ ফাতেমা জ্যোতি বলেন, ‘অনেক কষ্টের পর আমরা সংগঠনকে দাঁড় করাতে পেরেছি। ইতোমধ্যে সহায়তা নিয়ে একজনের পাশেও দাঁড়িয়েছি। ভবিষ্যতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মকর্তা-কর্মচারী সকলকে নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে আমাদের। এছাড়া দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও এই সংগঠনের কার্যক্রম ছড়িয়ে দেবার ইচ্ছা রয়েছে।’

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শাহজাহান মন্ডল বলেন, ‘আমরা চাইনা কেউ মারণব্যাধিতে আক্রান্ত হোক। তবুও আমাদের শিক্ষার্থীদের কেউ আক্রান্ত হলে আমরা আর্থিক সহায়তা নিয়ে তার পাশে দাঁড়াবো। যে মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে ‘এফডিআরএফ’ তৈরী হয়েছে; নতুন কমিটির কার্যক্রমে সেটি আরও ফলপ্রসু হবে এটিই আমার প্রত্যাশা।’

তিনি বলেন ‘স্বাস্থের অধিকার; একটি মানবাধিকার। এটি সংবিধানেরও একটি বিধান। এই মানবাধিকার কার্যকর করতে সরকারকে সহযোগিতা করছে ‘এফডিআরএফ’। বঙ্গবন্ধুকন্যা যেভাবে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু তৈরীর সাহস দেখিয়েছেন; চাইলে সেভাবে আমাদের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান এবং প্রতিষ্ঠানের ছেলে-মেয়েরাও নিজেদের অর্থায়নে নিজেদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে পারে।’ এছাড়া তিনি প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ধরনের ফান্ড তৈরীর পরামর্শ দেন।

ট্যাগ: bdnewshour24 ইবি