banglanewspaper

তাপদাহে পুড়ছে রাজধানী ঢাকাসহ গোটা দেশ। জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ আর অস্থিরতা। বিশেষত এই অতিরিক্ত গরমে খেটেখাওয়া মানুষের কষ্ট চরমে পৌঁছেছে। 

গতকাল সোমবার ঢাকায় ৩৪ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যশোরে, ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তীব্র এই তাপপ্রবাহ আরও দুদিন অব্যাহত থেকে বিস্তার লাভ করতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। তবে আগামীকাল ২৬ জুন থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনাও বাড়বে। 

আবহাওয়া অধিদফতর সূত্র জানিয়েছে, রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, সৈয়দপুর, ঢাকা, টাঙ্গাইল, সিলেট, চুয়াডাঙ্গা ও যশোর অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে; তা অব্যাহত ও বিস্তার লাভ করতে পারে। 

এ বিষয়ে আবহাওয়াবিদ আরিফ হোসেন জানান, আগামী দুদিন এ তাপমাত্রা অব্যাহত থাকবে। দেশের আরও কিছু অংশে তা বিস্তার লাভ করতে পারে।

এদিকে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে অন্যত্র দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ঢাকা বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। 

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৪ এপ্রিল গত পাঁচ দশকের মধ্যে রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল। আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৬০ সালের ৩০ এপ্রিল ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ৪২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১৯৭২ সালের ১৮ মে রাজশাহীতে ৪৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ওঠে। ওইদিন ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ৪০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যশোরে ৪২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
 

ট্যাগ: bdnewshour24 তাপদাহ