banglanewspaper

রাজধানীর ওয়ারীর বনগ্রামের একটি বহুতল ভবন থেকে সামিয়া আফরিন সায়মা (৭) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত সায়মার গলায় আঘাতের চিহ্ন ও মুখে জমাট রক্ত দেখা গেছে। শিশুটিকে হত্যার আগে ধর্ষণ বা ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছেন পুলিশ সদস্যরা। ভবনের নির্মাণাধীন তলায় খেলতে গিয়েছিল শিশুটি।

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে সাত বছর বয়সী সায়মার খোঁজ পাচ্ছিল না পরিবার। পরে সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে নবনির্মিত ভবনের ৯ তলার ফাঁকা ফ্লাটের ভেতরে সায়মার মরদেহ দেখতে পায় পরিবারের সদস্যরা। পরে রাত ৮টার দিকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। সিআইডির ফরেনসিক দল ও গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।

সন্ধ্যার পর ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তার মাকে বলেছিল ‘আমি উপরে পাশের ফ্ল্যাটের যাচ্ছি একটু খেলাধুলা করতে।’ এরপর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। অনেক খোঁজাখুঁজির পরে ৯ তলায় খালি ফ্লাটের ভেতর থেকে গলায় রশি দিয়ে বাধা মুখ রক্তাক্ত অবস্থায় মেয়েকে দেখতে পায় পরিবারের সদস্যরা।

পুলিশের ধারণা, সায়মাকে খুনের আগে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। তবে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনো স্পষ্ট নয়।

ওই ৯ তলা ভবনের ৬ তলায় পরিবারের সঙ্গে থাকতো সায়মা। বাবা আব্দুস সালাম নবাবপুরের একজন ব্যবসায়ী। দুই ছেলে দুই মেয়ের মধ্যে সবার ছোট সায়মা। ওয়ারি সিলভারডেল স্কুলের নার্সারিতে পড়তো সায়মা।

ট্যাগ: bdnewshour24 ধর্ষণ