banglanewspaper

গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণে দেশের বিভিন্ন জেলায় জলাবদ্ধতার দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে কয়েকটি জেলায় প্লাবিত হয়ে পানিবন্দী হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ।

সেখানে দেখা দিয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। এছাড়া পানির কারণে অনেক স্থানের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

এদিকে, রাজধানীতে গতকয়েকদিন থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছে। তবে এ বষ্টির পরিমাণ অন্যান্য জেলার তুলনায় অনেক কম ছিল। ফলে রাজধানীর তাপমত্রা কম থাকলেও ভ্যাপসা গরম অনুভব হচ্ছে। আর সেটা থাকবেও আরো কিছুদিন।

বৃহস্পতিবার বৃষ্টির পরিমাণ সর্বোচ্চ ২১৬ মিলিমিটার রেকর্ড করা হয় চট্টগ্রাম জেলার সিতাকুণ্ডে। আর ঢাকায় রেকর্ড করা হয় ২১ মিলিমিটার। যেখানে রাজধানীতে এর পরিমাণ ১৯৫ মিলিমিটার কম।

আবহাওয়াবিদ আরিফ হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার সারাদেশে কমবেশি বৃষ্টি হয়েছে। আগামী ১৩ জুলাই (শনিবার) থেকে ১৫ জুলাইয়ের (সোমবার) মধ্যে বৃষ্টির প্রবণতা অনেকটাই কমে আসতে পারে। এখন বর্ষা মৌসুম হওয়ায় তিন থেকে চারদিন পর আবারো বৃষ্টির প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে। এক থেকে দেড় মাস এভাবেই চলবে।

তিনি আরো বলেন, বৃষ্টির কারণে এখন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২ থেকে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বিরাজ করছে। তবে বৃষ্টির প্রবণতা কমে গেলে তা বেড়ে ৩৫ থেকে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। আর এসময় তাপমাত্রা কমলেও ভ্যাপসা গরম অনুভব হয়।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশে সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় বিরাজ করছে। তাই ময়মনসিংহ, বরিশাল, রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃাষ্ট অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশের রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

ট্যাগ: bdnewshour24 ভারী বৃষ্টি